Kolingo Deshe Jhor Bristi – কলিঙ্গদেশে ঝড় বৃষ্টি কবিতা – মুকুন্দ চক্রবর্তী | কবিতার কিছু প্রশ্নের উত্তর সমূহ | নবম শ্রেণি – কবিতার প্রশ্ন উত্তর | Kolingo Deshe Jhor Bristi
নবম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যসূচির অন্তর্গত কলিঙ্গদেশে ঝড় বৃষ্টি কবিতাটি রচনা করেছেন মুকুন্দ চক্রবর্তী। এই কবিতায় প্রকৃতির রূপ, ঝড়-বৃষ্টির তীব্রতা এবং তার প্রভাব অত্যন্ত জীবন্তভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এখানে আমরা কবিতার গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর সহজ ভাষায় উপস্থাপন করেছি, যা শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতিতে বিশেষভাবে সহায়ক হবে।
সংক্ষিপ্ত প্রশ্নউত্তর
0১. কলিঙ্গদেশে ঝড় বৃষ্টি কবিতাটি কার লেখা?
০২. চারিদিকে অন্ধকার করে আসলো কেন?
০৩. সঘনে চিকুর কথাটির অর্থ কি?
০৪. প্রজাদের মন বিষাদে পরিপূর্ণ হল কেন?
০৫. প্রলয়ের কবলে পড়ে কারা ভবন ছাড়লো?
০৬. করি-কর কথাটির অর্থ কি?
০৭. মহী কথাটির অর্থ কি?
০৮. কতদিন ধরে এই ঝড় বৃষ্টি চলেছিল?
০৯. দেবী চণ্ডীর আদেশে হনুমান কি করেছিল?
১০. অম্বিকা মঙ্গল কার সৃষ্টি?
১১. কেউ নিজের অঙ্গ না দেখতে পাওয়ার কারণ কি?
১২. প্রজাদের মন বিষাদে পরিপূর্ণ হয়ে উঠলো কেন?
১৩. জৈমিনি কে? সকলের তাকে স্মরণ করার কারণ কি?
১৪. কেন কেউ কারোর কথা শুনতে পায় না?
১৫. চন্ডির আদেশ পেয়ে কারা কি করেছিল?
প্রতিটিপ্রশ্নের সঠিক বিকল্প উত্তরটি লেখ
১. গর্ত ছেড়ে কে বেরিয়ে এসেছিল ?
২. ঘন ঘন শুনি — কত মেঘের গর্জন ?
৩. “নিরবধি — কত দিন বৃষ্টি নিরন্তর” ?
৪. কার আদেশ পান বীর হনুমান ?
৫. ‘সোঙরে’ কথার অর্থ কী ?
৬. ঝড় বৃষ্টির প্রলয় আকার নিয়েছিল কোথায় ?
৭. কোথায় উড়িল মেঘ সঘনে চিকুর ?
৮. কোন পবনে মেঘ ডাকে দুর দুর ?
৯. বিপাকে পড়ে প্রজারা কী ছেড়ে পালালো ?
১০. ‘অম্বিকা মঙ্গল’-এর রচয়িতা কে ?
প্রশ্ন উত্তর
১. ”কলিঙ্গদেশে ঝড় বৃষ্টি” কবিতাটিতে মেঘের যে রূপ বিস্তার বিবরণ রয়েছে তা বর্ণনা কর।
চারিদিকে ঘন অন্ধকার মেঘে আকাশ আচ্ছন্ন হয়ে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় যে নিজের অঙ্গ পর্যন্ত দেখা যায় না। ঈশান কোণে মেঘের সমাবেশ ঘটে এবং ঘন ঘন বজ্রপাত হতে থাকে। উত্তর আকাশে মেঘের গম্ভীর গর্জন শোনা যায়।
পৌরাণিক মতে সম্বর্ত, আবর্ত, পুষ্কর ও দ্রোণ মেঘের আগমনে মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়। চারিদিকে মেঘের কুঞ্জ ভেসে বেড়ায় এবং প্রকৃতি প্রলয়ের রূপ ধারণ করে।
কবি তাঁর লেখনীর মাধ্যমে মেঘের এই ভয়ংকর ও বৈচিত্র্যময় রূপ এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের তাণ্ডবকে অত্যন্ত জীবন্তভাবে তুলে ধরেছেন, যা পাঠকের মনে গভীর ছাপ ফেলে।
২. কলিঙ্গদেশে হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টির সমাগমে সাধারণ প্রজারা কিভাবে অসুবিধায় পড়েছিলেন তা নিজের ভাষায় লেখ।
এই আকস্মিক দুর্যোগে সাধারণ মানুষ চরম বিপদের সম্মুখীন হয়। ঘন ঘন বজ্রপাত ও প্রবল বৃষ্টিতে চারিদিক জলমগ্ন হয়ে পড়ে এবং ঝড়ের তাণ্ডবে শস্যক্ষেত্র নষ্ট হয়ে যায়।
প্রবল বজ্রধ্বনির কারণে কেউ কারোর কথা শুনতে পায় না এবং ভয়ে সকলে জৈমিনিকে স্মরণ করতে থাকে। চারিদিকে শুধু ধ্বংসের দৃশ্য—দিন না রাত বোঝা যায় না।
এই দুর্যোগ প্রায় সাত দিন ধরে চলেছিল। জলমগ্ন অবস্থায় গর্ত থেকে সাপ বেরিয়ে আসে, শস্য পচে যায় এবং বড় বড় ঢেউয়ের আঘাতে বসতি ধ্বংস হয়ে যায়। ফলে প্রজারা চরম দুর্দশার মধ্যে পড়ে।
