Class 12 Semester 4 ENVS Question Paper with Solution PDF 2025-26
উচ্চমাধ্যমিক দ্বাদশ শ্রেণীর চতুর্থ সেমিস্টারের পরিবেশবিদ্যা (ENVS) প্রশ্নপত্র উত্তরসহ ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য এখানে PDF আকারে দেওয়া হলো। এই পোস্টে প্রশ্নপত্রের প্রতিটি প্রশ্নের সঠিক ও সহজবোধ্য উত্তর উপস্থাপন করা হয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীরা নিজেদের উত্তর মিলিয়ে নিতে পারে এবং পরীক্ষার প্রস্তুতি আরও ভালোভাবে করতে পারে। Class 12 Semester 4 ENVS Question Paper with Solution PDF 2025-26 দ্রুত পুনরাবৃত্তি ও পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য বিশেষভাবে সহায়ক হবে।
১. আটটি প্রশ্নের মধ্যে যে-কোনো চারটি প্রশ্নের উত্তর দাও:
A) সূক্ষ্মকণা (পার্টিকিউলেট ম্যাটার) কী?
B) ইউট্রোফিকেশনের ক্ষতিকারক দিকগুলি লেখো।
১. শৈবালের অতিবৃদ্ধি: জলাশয়ে অতিরিক্ত শৈবাল জন্মায়, ফলে জলের স্বচ্ছতা ও গুণমান নষ্ট হয়।
২. অক্সিজেনের ঘাটতি: শৈবাল ও জলজ উদ্ভিদের মৃতদেহের পচনের সময় প্রচুর দ্রবীভূত অক্সিজেন খরচ হয়। ফলে জলে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যায়।
৩. জলজ প্রাণীর মৃত্যু: অক্সিজেনের অভাবে মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণীর মৃত্যু ঘটতে পারে।
৪. জলের দুর্গন্ধ ও বিষাক্ততা: অতিরিক্ত জৈব পদার্থের পচনের ফলে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয় এবং কিছু ক্ষতিকারক শৈবাল বিষাক্ত পদার্থ উৎপন্ন করতে পারে।
C) শব্দদূষণের দুটি উৎসের উল্লেখ করো।
১. যানবাহনের শব্দ: মোটরগাড়ি, বাস, ট্রাক, ট্রেন ও বিমান থেকে উৎপন্ন অতিরিক্ত শব্দ।
২. শিল্পকারখানার শব্দ: বিভিন্ন যন্ত্রপাতি, মেশিন ও কারখানার কার্যকলাপ থেকে উৎপন্ন উচ্চমাত্রার শব্দ।
D) COD-এর পূর্ণরূপ ও সংজ্ঞা লেখো।
সংজ্ঞা: জলীয় নমুনায় উপস্থিত জৈব ও কিছু অজৈব পদার্থকে রাসায়নিকভাবে জারিত করতে যে পরিমাণ দ্রবীভূত অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়, তাকে COD বলে।
E) অম্লবৃষ্টির ক্ষতিকারক দিকগুলি লেখো।
১. মাটির উর্বরতা হ্রাস: অম্লবৃষ্টির ফলে মাটির অম্লত্ব বৃদ্ধি পায় এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান নষ্ট হয়।
২. জলজ প্রাণীর ক্ষতি: জলাশয়ের জলের অম্লত্ব বৃদ্ধি পেলে মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণীর জীবন বিপন্ন হয়।
৩. উদ্ভিদের ক্ষতি: অম্লবৃষ্টি গাছের পাতা ও শিকড়ের ক্ষতি করে এবং উদ্ভিদের বৃদ্ধি ব্যাহত করে।
৪. স্থাপত্য ও স্মৃতিসৌধের ক্ষয়: অম্লবৃষ্টির ফলে মার্বেল, চুনাপাথর ও ধাতব পদার্থের তৈরি ভবন ও ঐতিহাসিক স্থাপত্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
F) জৈব সঞ্চয়ন ও জৈব বিবর্ধন কী?
জৈব বিবর্ধন (Biomagnification): খাদ্যশৃঙ্খলের নিম্নস্তর থেকে উচ্চস্তরের জীবের দেহে কোনো বিষাক্ত পদার্থের ঘনত্ব ক্রমশ বৃদ্ধি পাওয়াকে জৈব বিবর্ধন বলে।
G) ইলেকট্রনিক বর্জ্য (E-waste) কী?
H) একটি গ্রীনহাউস গ্যাসের নাম লেখো এবং প্রকৃতিতে এর প্রভাব লেখো।
প্রকৃতিতে এর প্রভাব: বায়ুমণ্ডলে অতিরিক্ত কার্বন ডাই-অক্সাইড তাপ শোষণ করে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে। এর ফলে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন, হিমবাহ গলন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ুর পরিবর্তন ঘটে।
২. আটটি প্রশ্নের মধ্যে যে-কোনো চারটি প্রশ্নের উত্তর দাও:
A) ‘CPCB’ এবং ‘ppm’-এর পূর্ণরূপ লেখো।
ppm: Parts Per Million (প্রতি মিলিয়নে অংশ)।
B) ‘4R’ ব্যবস্থাপনা কী?
Refuse: অপ্রয়োজনীয় ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর পণ্য গ্রহণ না করা।
Reduce: পণ্য ও সম্পদের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার কমানো।
Reuse: কোনো সামগ্রী ফেলে না দিয়ে পুনরায় ব্যবহার করা।
Recycle: বর্জ্য পদার্থকে প্রক্রিয়াজাত করে পুনরায় ব্যবহারযোগ্য সামগ্রীতে পরিণত করা।
C) ‘পরিবেশ সুরক্ষা আইন’ (1986)-কে ‘ছাতা আইন’ বলা হয় কেন?
D) ‘বন সংরক্ষণ আইন’ (1980)-এর প্রধান উদ্দেশ্যগুলি লেখো।
১. বনভূমি সংরক্ষণ: নির্বিচারে বনভূমি ধ্বংস ও বন উজাড় রোধ করা।
২. বনভূমির অপব্যবহার নিয়ন্ত্রণ: বনভূমিকে অকৃষি কাজে ব্যবহারের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা।
৩. বনভূমির রূপান্তর রোধ: কোনো বনভূমিকে অন্য কাজে ব্যবহারের জন্য রাজ্য সরকারকে কেন্দ্রীয় সরকারের পূর্বানুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা।
৪. পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা: বন ও প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণের মাধ্যমে পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখা।
E) মৃত্তিকার গুণগত মান নির্ণয়ের যে-কোনো চারটি নির্ণায়ক সূচকের নাম লেখো।
১. মৃত্তিকার pH
২. জৈব কার্বনের পরিমাণ
৩. নাইট্রোজেনের পরিমাণ
৪. ফসফরাসের পরিমাণ
F) ‘স্বচ্ছ ভারত মিশন’-এর প্রধান উদ্দেশ্য কী?
G) ‘কিয়োটো চুক্তি (1997)’-এর প্রধান উদ্দেশ্য লেখো।
H) পরিবেশ ব্যবস্থাপনার সাথে ‘সুস্থায়ী উন্নয়নের’ সম্পর্ক লেখো।
অতএব, পরিবেশ ব্যবস্থাপনা সুস্থায়ী উন্নয়নের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। প্রাকৃতিক সম্পদের সংরক্ষণ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণের মধ্যে সমন্বয় সাধন করাই উভয়ের মূল লক্ষ্য।
৩. চারটি প্রশ্নের মধ্যে যে-কোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর দাও:
A) বিশ্ব উষ্ণায়ন কী? বিশ্ব উষ্ণায়নের যেকোনো চারটি ক্ষতিকারক প্রভাবের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা করো।
বিশ্ব উষ্ণায়নের ক্ষতিকারক প্রভাব:
১. হিমবাহের গলন: পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ ও হিমবাহ দ্রুত গলে যায় এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পায়।
২. জলবায়ু পরিবর্তন: বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে বৃষ্টিপাতের ধরন ও ঋতুচক্রের পরিবর্তন ঘটে এবং খরা, বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ের মতো চরম আবহাওয়ার ঘটনা বৃদ্ধি পেতে পারে।
৩. জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি: তাপমাত্রা ও পরিবেশের পরিবর্তনের ফলে বহু উদ্ভিদ ও প্রাণীর স্বাভাবিক বাসস্থান নষ্ট হয় এবং অনেক প্রজাতি বিলুপ্তির ঝুঁকিতে পড়ে।
৪. কৃষিক্ষেত্রে ক্ষতি: অতিরিক্ত তাপমাত্রা, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত ও জলাভাবের কারণে ফসলের উৎপাদন ব্যাহত হয় এবং খাদ্যসংকটের আশঙ্কা দেখা দেয়।
B) কৃষিক্ষেত্র দ্বারা জলদূষণের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা করো। জলদূষণজনিত বিভিন্ন মনুষ্য রোগের বর্ণনা দাও।
জলদূষণজনিত মনুষ্য রোগ:
১. কলেরা: দূষিত জল পান করলে Vibrio cholerae ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে কলেরা হয়। এতে তীব্র ডায়রিয়া ও বমি হয় এবং দ্রুত জলশূন্যতা দেখা দিতে পারে।
২. টাইফয়েড: Salmonella typhi দ্বারা দূষিত জল বা খাদ্য গ্রহণ করলে টাইফয়েড হয়। এর প্রধান লক্ষণ হলো দীর্ঘস্থায়ী জ্বর, দুর্বলতা ও পেটের সমস্যা।
৩. আমাশয়: জীবাণুযুক্ত দূষিত জল পান করলে আমাশয় হতে পারে। এতে ঘন ঘন মলত্যাগ, পেটব্যথা এবং মলের সঙ্গে রক্ত বা শ্লেষ্মা দেখা দিতে পারে।
৪. হেপাটাইটিস: দূষিত জল ও খাদ্যের মাধ্যমে হেপাটাইটিস A ও E ভাইরাস সংক্রমিত হতে পারে। এতে জন্ডিস, দুর্বলতা, বমি ও ক্ষুধামন্দার মতো উপসর্গ দেখা যায়।
C) C.D.M. বলতে কী বোঝো? এর পরিবেশগত ও সামাজিক সুবিধাগুলি লেখো।
পরিবেশগত সুবিধা:
১. গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ হ্রাস: পরিচ্ছন্ন প্রযুক্তি ও পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে কার্বন নিঃসরণ কমাতে সাহায্য করে।
২. দূষণ নিয়ন্ত্রণ: পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় বায়ু ও অন্যান্য পরিবেশদূষণ কমে।
সামাজিক সুবিধা:
৩. কর্মসংস্থান সৃষ্টি: পরিবেশবান্ধব প্রকল্পের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
৪. জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন: পরিচ্ছন্ন শক্তি, উন্নত প্রযুক্তি ও পরিকাঠামোর প্রসারের ফলে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়।
D) তেজস্ক্রিয় দূষণ কী? এর ক্ষতিকারক প্রভাবগুলির সংক্ষিপ্ত বর্ণনা করো।
ক্ষতিকারক প্রভাব:
1. ক্যান্সার: তেজস্ক্রিয় বিকিরণের ফলে বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার, বিশেষত লিউকেমিয়া ও থাইরয়েড ক্যান্সারের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
2. জিনগত পরিবর্তন: বিকিরণ DNA-র ক্ষতি করে, ফলে জিনগত পরিবর্তন ও বংশগত রোগ দেখা দিতে পারে।
3. প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস: দীর্ঘদিন বিকিরণের সংস্পর্শে থাকলে প্রজনন অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বন্ধ্যাত্ব বা সন্তান ধারণের সমস্যা হতে পারে।
4. জীবদেহের ক্ষতি: কোষ ও বিভিন্ন অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ফলে দুর্বলতা, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস এবং গুরুতর শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।
৪. চারটি প্রশ্নের মধ্যে যে-কোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর দাও:
A) পরিবেশ ব্যবস্থাপনা কী? মানবস্বাস্থ্য রক্ষায় এর ভূমিকা লেখো।
মানবস্বাস্থ্য রক্ষায় ভূমিকা:
1. দূষণ নিয়ন্ত্রণ: বায়ু, জল ও মাটিদূষণ নিয়ন্ত্রণ করে বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি কমায়।
2. বিশুদ্ধ জল ও বায়ু: নিরাপদ পানীয় জল এবং বিশুদ্ধ বায়ুর ব্যবস্থা করে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন নিশ্চিত করে।
3. বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: কঠিন ও তরল বর্জ্য সঠিকভাবে অপসারণ করে রোগজীবাণুর বিস্তার ও সংক্রমণ রোধ করে।
4. রোগ প্রতিরোধ: পরিবেশের স্বাস্থ্যকর অবস্থা বজায় রেখে জলবাহিত, বায়ুবাহিত ও বাহকবাহিত রোগের প্রকোপ কমাতে সাহায্য করে।
B) পানীয় জলের গুণগত মান নির্ণয়ে বিভিন্ন মানকগুলির মধ্যে যে কোনো চারটি উল্লেখ করো। শিল্পাঞ্চলে ও গ্রামাঞ্চলে শ্বাস-প্রশ্বাসযোগ্য ভাসমান কণা পদার্থের বার্ষিক গড় ঘনত্বের সর্বোচ্চ সীমা কত?
পানীয় জলের গুণগত মান নির্ণয়ের চারটি মানক:
1. pH: পানীয় জলের অম্লতা বা ক্ষারত্ব নির্ণয় করে।
2. ঘোলাভাব (Turbidity): জলে ভাসমান কণা ও ময়লার পরিমাণ নির্দেশ করে।
3. দ্রবীভূত অক্সিজেন (DO): জলে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ নির্দেশ করে।
4. জৈব-রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা (BOD): জৈব পদার্থের বিয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের পরিমাণ নির্দেশ করে।
শ্বাস-প্রশ্বাসযোগ্য ভাসমান কণা পদার্থের (PM₁₀) বার্ষিক গড় সর্বোচ্চ সীমা:
শিল্পাঞ্চল: 120 µg/m³/বছর
গ্রামাঞ্চল: 60 µg/m³/বছর
C) জৈব-চিকিৎসা বর্জ্য কী? জৈব-চিকিৎসা বর্জ্য শোধন পদ্ধতির সংক্ষিপ্ত বর্ণনা করো।
জৈব-চিকিৎসা বর্জ্য শোধন পদ্ধতি:
1. দহন (Incineration): বর্জ্যকে উচ্চ তাপমাত্রায় পুড়িয়ে জীবাণু ও ক্ষতিকারক জৈব পদার্থ ধ্বংস করা হয়।
2. অটোক্লেভিং (Autoclaving): উচ্চচাপের বাষ্প ও তাপের সাহায্যে বর্জ্যকে জীবাণুমুক্ত করা হয়।
3. রাসায়নিক জীবাণুনাশন: ক্লোরিনযুক্ত বা অন্যান্য উপযুক্ত রাসায়নিক ব্যবহার করে সংক্রামক বর্জ্যের জীবাণু ধ্বংস করা হয়।
4. সুরক্ষিত সমাধিস্থকরণ: শোধন করা বা উপযুক্ত বর্জ্যকে নির্দিষ্ট নিরাপদ স্থানে গভীর গর্তে পুঁতে ফেলা হয়, যাতে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ক্ষতি না হয়।
D) সুস্থায়ী উন্নয়ন কী? পরিবেশ ব্যবস্থাপনার চারটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ লেখো।
পরিবেশ ব্যবস্থাপনার চারটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ:
1. পরিবেশগত পরিকল্পনা ও মূল্যায়ন: উন্নয়নমূলক কাজের পরিবেশের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নির্ণয় করে সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা।
2. প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ: জল, মাটি, বন ও জীববৈচিত্র্যের সুষ্ঠু ব্যবহার ও সংরক্ষণ করা।
3. দূষণ নিয়ন্ত্রণ: বায়ু, জল, মাটি ও শব্দদূষণ কমানোর জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
4. বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: বর্জ্য কমানো, পুনর্ব্যবহার ও পুনঃচক্রায়নের মাধ্যমে বর্জ্যকে সঠিকভাবে পরিচালনা করা।

