Class 12

Class 12 Semester 4 Sanskrit Question Paper with Solution PDF 2025-26 | উচ্চমাধ্যমিক চতুর্থ সেমিস্টার সংস্কৃত প্রশ্নপত্র উত্তর সহ

Class 12 Semester 4 Sanskrit Question Paper with Solution PDF 2025-26

উচ্চমাধ্যমিক দ্বাদশ শ্রেণীর চতুর্থ সেমিস্টারের সংস্কৃত প্রশ্নপত্র উত্তরসহ ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য এখানে PDF আকারে দেওয়া হলো। এই পোস্টে প্রশ্নপত্রের প্রতিটি প্রশ্নের সঠিক ও সহজবোধ্য উত্তর উপস্থাপন করা হয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীরা নিজেদের উত্তর মিলিয়ে নিতে পারে এবং পরীক্ষার প্রস্তুতি আরও ভালোভাবে করতে পারে। Class 12 Semester 4 Sanskrit Question Paper with Solution PDF 2025-26 দ্রুত পুনরাবৃত্তি ও পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য বিশেষভাবে সহায়ক হবে।

Sanskrit SEM IV

1. আটটি প্রশ্নের মধ্যে যে-কোনো পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর দাও:

A) ‘হাসবিদ্যকথা’ গল্পটির উৎস কী এবং এর লেখক কে?

উত্তর: ‘হাসবিদ্যকথা’ গল্পটির উৎসগ্রন্থ হলো কবি বিদ্যাপতির রচিত ‘পুরুষপরীক্ষা’। গল্পটির লেখক হলেন কবি বিদ্যাপতি

B) ‘হাসবিদ্যকথা’ গল্পে রাজা ও তাঁর রাজধানীর নাম কী?

উত্তর: ‘হাসবিদ্যকথা’ গল্পে রাজার নাম সুপ্রতাপ এবং তাঁর রাজধানীর নাম কাঞ্চী

C) ‘ত্বমেব কিং ন বপসি?’ – কে, কাকে একথা বলেছিলেন?

উত্তর: উদ্ধৃত কথাটি মহারাজ সুপ্রতাপ চতুর্থ চোরটিকে বলেছিলেন।

প্রসঙ্গ: চোরটি যখন রাজ অন্তঃপুরের দীঘির পাড়ে সোনার বীজ বপনের জায়গা প্রস্তুত করে বলল যে বীজ বোনার লোক দেওয়া হোক, তখন রাজা কৌতূহলী হয়ে চোরকে এই প্রশ্নটি করেছিলেন।

D) ‘কিরাতার্জুনীয়ম্’ মহাকাব্যে সর্গসংখ্যা কয়টি? ‘বনেচরভাষণম্’ কোন্ সর্গ থেকে গৃহীত হয়েছে?

উত্তর: ‘কিরাতার্জুনীয়ম্’ মহাকাব্যে মোট ১৮টি সর্গ আছে। ‘বনেচরভাষণম্’ অংশটি প্রথম সর্গ থেকে গৃহীত।

E) বনবাসকালে যুধিষ্ঠির কোন্ বনে অবস্থান করেছিলেন? তাঁর নিকটে কে উপস্থিত হয়েছিলেন?

উত্তর: বনবাসকালে যুধিষ্ঠির তাঁর ভাইদের নিয়ে দ্বৈতবনে অবস্থান করছিলেন। তাঁর নিকটে হস্তিনাপুরের রাজা দুর্যোধনের প্রজাপালন ও শাসনব্যবস্থার গোপন সংবাদ সংগ্রহের জন্য নিযুক্ত বনেচর (গুপ্তচর) উপস্থিত হয়েছিলেন।

F) ‘বরং বিরোধোহপি সমং মহাত্মভিঃ’- এই উক্তিটির তাৎপর্য লেখো।

উত্তর:‘বরং বিরোধোহপি সমং মহাত্মভিঃ’— এই উক্তিটির অর্থ হলো: মহৎ বা শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিদের সঙ্গে বিরোধ হওয়াও ভালো, কিন্তু নীচ বা অধম ব্যক্তির সঙ্গে বন্ধুত্ব করাও ভালো নয়।

তাৎপর্য:
মহাত্মা বা সৎ ব্যক্তিদের সঙ্গে বিরোধ হলেও তাঁদের আদর্শ ও নীতির প্রভাব মানুষের মর্যাদা ও ব্যক্তিত্বের উন্নতি ঘটায় (যেমন— যুধিষ্ঠিরের মতো মহৎ শত্রুর ভয়ে দুর্যোধন নিজেকে নীতিমান ও প্রজাবৎসল করে তুলেছিলেন)। কিন্তু অধম বা পাপিষ্ঠ ব্যক্তির সঙ্গে সখ্যতা মানুষের চরিত্র ও সম্মান নষ্ট করে। তাই অনার্যের বন্ধুত্বের চেয়ে আভিজাত্যপূর্ণ মহৎ ব্যক্তির বিরোধও শ্রেয়।

G) ‘হা, প্রিয়সখি! ঈদৃশস্তে নির্মাণভাগঃ।’ — উক্তিটি কার? ‘প্রিয়সখি’ পদের দ্বারা কাকে সম্বোধন করা হয়েছে? এর উৎস উল্লেখ করো।

উত্তর:উৎস: মহাকবি ভবভূতি রচিত ‘উত্তররামচরিতম্’ নাটকের তৃতীয় অঙ্ক (ছায়াঙ্ক) থেকে সংকলিত ‘আত্রেয়ী-বনদেবতা-সংবাদঃ’ পাঠ্যাংশ থেকে উক্তিটি গৃহীত।
বক্তা: উক্তিটি জনস্থানের বনদেবী বাসন্তী-র।
সম্বোধিত ব্যক্তি: ‘প্রিয়সখি’ পদের দ্বারা বাসন্তী তাঁর প্রিয় সখী সীতাদেবী-কে সম্বোধন করেছেন।

(তাৎপর্য: সীতাদেবীর করুণ ও দুঃখজনক পরিণতি বা কঠিন ভাগ্যের কথা শুনে শোকাতুর হয়ে বাসন্তী এই আক্ষেপমূলক উক্তিটি করেছিলেন।)

F) স্নানের জন্য বাল্মীকি কোন্ নদীতে গিয়েছিলেন? সেখানে তিনি কী করেছিলেন বা কী দেখেছিলেন?

উত্তর:নদী: মহর্ষি বাল্মীকি মধ্যাহ্ন স্নানের জন্য তমসা নদীতে গিয়েছিলেন।
দর্শন: সেখানে তিনি এক ব্যাধ (ব্যাধের বাণ) কর্তৃক ক্রৌঞ্চমিথুনের (ক্রৌঞ্চ পাখি যুগলের) মধ্য থেকে পুরুষ পাখিটিকে নিহত হতে এবং কামমোহিত সঙ্গীকে হারিয়ে স্ত্রী পাখিটির আকুল ক্রন্দন করতে দেখেছিলেন।

2. আটটি প্রশ্নের মধ্যে যে-কোনো পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর দাও:

A) স্ত্রী প্রত্যয় কাকে বলে? একটি উদাহরণ দাও।

উত্তর: সংজ্ঞা: যে সকল প্রত্যয় পুংলিঙ্গবাচক (পুংবাচক) শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে শব্দটিকে স্ত্রীলিঙ্গবাচক শব্দে রূপান্তরিত করে, সেগুলিকে স্ত্রী প্রত্যয় বলা হয়। (যেমন— টাপ্, ঙীপ্, ঙীষ্, ঙীন্ ইত্যাদি)।

উদাহরণ: অজ + টাপ্ (আ) = অজা (অথবা, দেব + ঙীপ্ = দেবী)

B) ব্যুৎপত্তি নির্ণয় করো: (i) পিপাসতি (ii) দেদীয়তে।

উত্তর:

(i) পিপাসতি = পা + সন্ + লট্ তি (ইচ্ছার্থে সন্ প্রত্যয়)
(ii) দেদীয়তে = দা + যঙ্ + লট্ তে (পৌনঃপুনিক বা ভৃশার্থে যঙ্ প্রত্যয়)

C) কারক-বিভক্তি ও অর্থ নির্ণয় করো: বাতায় কপিলা বিদ্যুৎ।

উত্তর: অর্থ: পিঙ্গলবর্ণের বিদ্যুৎ ঝড়ের সংকেত দেয়।

কারক-বিভক্তি বিশ্লেষণ:
বাতায় — উৎপাতসূচক অর্থে (‘সম্পাদ্যাদ্যুৎপত্তৌ চ’ বা তাদর্থ্যে) চতুর্থী বিভক্তি।

D) উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করো: আখ্যাতোপযোগে।

উত্তর: সূত্রার্থ: “আখ্যাতোপযোগে” (আখ্যাতা + উপযোগে) সূত্র অনুসারে, নিয়মপূর্ব বিদ্যা গ্রহণ বা শিক্ষা লাভের ক্ষেত্রে যিনি শিক্ষক বা বক্তা (আখ্যাতা), তাঁর পদে অপাদান কারক হয় এবং অপাদানে পঞ্চমী বিভক্তি যুক্ত হয়।

উদাহরণ: ছাত্রঃ উপাধ্যায়াৎ অধীতে।
ব্যাখ্যা: এখানে ছাত্রটি উপাধ্যায়ের (শিক্ষকের) নিকট থেকে নিয়মপূর্বক বিদ্যা গ্রহণ করছে। তাই ‘আখ্যাতোপযোগে’ সূত্রানুসারে আখ্যাতা বা শিক্ষক ‘উপাধ্যায়’ পদে অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তি হয়েছে।

E) ‘যস্য চ ভাবেন ভাবলক্ষণম্’ – সূত্রে কোন্ বিভক্তি হয়? উদাহরণসহ লেখো।

উত্তর: সূত্রার্থ ও বিভক্তি: ‘যস্য চ ভাবেন ভাবলক্ষণম্’ সূত্রানুসারে একটি ক্রিয়ার দ্বারা অন্য একটি ক্রিয়ার কাল বা সময় সূচিত হলে প্রথম ক্রিয়ার কর্তা ও ক্রিয়ায় ভাবসপ্তমী (সপ্তমী বিভক্তি) হয়।

উদাহরণ: সূর্য্যে উদিতে পদ্মং প্রকাশতে।

ব্যাখ্যা: এখানে ‘সূর্য ওঠা’ ক্রিয়ার দ্বারা ‘পদ্ম ফোটা’ ক্রিয়ার সময় বোঝানো হয়েছে। তাই সূত্রানুসারে ‘সূর্য’ পদের এবং ‘উদিতে’ ক্রিয়াপদের সপ্তমী বিভক্তি হয়েছে।

F) দ্বন্দ্ব সমাস কাকে বলে? একটি উদাহরণ দাও।

উত্তর: সংজ্ঞা: যে সমাসে সমস্যমান পদগুলির প্রত্যেকটির অর্থের প্রাধান্য থাকে এবং ব্যাসবাক্যে ‘চ’ (এবং) অব্যয় দ্বারা পদগুলি যুক্ত হয়, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।

উদাহরণ: রামশ্চ লক্ষ্মণশ্চ = রামলক্ষ্মণৌ।
ব্যাখ্যা: এখানে ‘রাম’ ও ‘লক্ষ্মণ’ উভয় পদের অর্থই সমানভাবে প্রধান। তাই এটি দ্বন্দ্ব সমাস

G) সমাস নির্ণয় করো: নীলকণ্ঠঃ।

উত্তর: ব্যাসবাক্য: নীলঃ কণ্ঠঃ যস্য সঃ।

সমাসের নাম: বহুব্রীহি সমাস (সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস)।

ব্যাখ্যা: এখানে ‘নীল’ এবং ‘কণ্ঠ’ কোনো পদের অর্থকে প্রাধান্য না দিয়ে নীল কণ্ঠ যার (অর্থাৎ শিব), সেই তৃতীয় ব্যক্তি বা অন্য পদার্থকে বোঝাচ্ছে। তাই এটি বহুব্রীহি সমাস।

H) সমাসবদ্ধ পদ লেখো: i) দ্বয়োঃ অহোঃ সমাহারঃ। ii) শূলঃ পাণৌ যস্য সঃ।

উত্তর:

i) দ্বয়োঃ অহোঃ সমাহারঃ = দ্ব্যহম (দ্বিগু সমাস)
ii) শূলঃ পাণৌ যস্য সঃ = শূলপাণিঃ (বহুব্রীহি সমাস)

3. ছয়টি প্রশ্নের মধ্যে যে-কোনো তিনটি প্রশ্নের উত্তর দাও:

A) ‘দশকুমারচরিতম্’-এর রচয়িতা কে? তাঁর অপর একটি সাহিত্যকৃতির নাম লেখো।

উত্তর:

রচয়িতা: মহাকবি দণ্ডী।
অপর সাহিত্যকৃতি: কাব্যাদর্শ

B) চরকসংহিতার প্রথম দুটি স্থানের নাম লেখো।

উত্তর: চরকসংহিতার প্রথম দুটি স্থানের নাম হলো:

১. সূত্রস্থান
২. নিদানস্থান

C) চম্পূকাব্য কাকে বলে? মহাভারত অবলম্বনে রচিত একটি চম্পূকাব্যের নাম লেখো।

উত্তর: সংজ্ঞা: গদ্য ও পদ্যের মিশ্রণে রচিত সাহিত্যকর্মকে চম্পূকাব্য বলা হয়। (যেমন: “গদ্যপদ্যময়ং কাব্যং চম্পূরিত্যভিধীয়তে”)।
মহাভারত অবলম্বনে রচিত চম্পূকাব্য: কবি অনন্ত ভট্ট রচিত ‘ভারতচম্পূ’।

D) ‘হর্ষচরিতম্’-এর রচয়িতা কে? সাহিত্যটি কোন্ শ্রেণির?

উত্তর: রচয়িতা: বাণভট্ট।
সাহিত্যশ্রেণি: ‘হর্ষচরিতম্’ হলো একটি আখ্যানিকা শ্রেণির ঐতিহাসিক গদ্যকাব্য।

E) সিদ্ধেশ্বর চট্টোপাধ্যায় বিরচিত দুটি নাটকের নাম লেখো।

উত্তর: সিদ্ধেশ্বর চট্টোপাধ্যায় বিরচিত দুটি বিখ্যাত নাটক হলো:

১. অথ কিম্
২. নানাতাড়নম্ (অথবা, রুদ্রপাল)

দ্বন্দ্ব সমাস কাকে বলে? একটি উদাহরণ দাও।

উত্তর: সংজ্ঞা: যে সমাসে সমস্যমান পদগুলির প্রত্যেকটির অর্থের প্রাধান্য বজায় থাকে এবং ব্যাসবাক্যে ‘চ’ (এবং) অব্যয় পদ দ্বারা পদগুলি যুক্ত হয়, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলা হয়।

উদাহরণ: রামশ্চ লক্ষ্মণশ্চ = রামলক্ষ্মণৌ
ব্যাখ্যা: এখানে ‘রাম’ এবং ‘লক্ষ্মণ’ উভয় পদের অর্থই সমানভাবে প্রধান, তাই এটি দ্বন্দ্ব সমাস।

F) সীতানাথ আচার্য কবে, কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?

উত্তর: জন্ম তারিখ: ১২ই ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৪ খ্রিষ্টাব্দ।

জন্মস্থান: বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার বাগনান থানার অন্তর্গত বাঁকুড়দাহ গ্রামে।

4. দুটি প্রশ্নের মধ্যে যে-কোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও:

A) ভারতীয় আয়ুর্বেদের ইতিহাসে সুশ্রুতসংহিতার গুরুত্ব আলোচনা করো।

উত্তর: প্রাচীন ভারতীয় চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে ‘সুশ্রুতসংহিতা’ একটি যুগান্তকারী ও মৌলিক আকর গ্রন্থ। চিকিৎসাবিজ্ঞানী ধন্বন্তরির শিষ্য মহর্ষি সুশ্রুত কর্তৃক রচিত এই গ্রন্থটি ভারতীয় আয়ুর্বেদ শাস্ত্রের ‘বৃহত্ত্রয়ী’-র অন্যতম প্রধান অঙ্গ।

ভারতীয় আয়ুর্বেদের ইতিহাসে সুশ্রুতসংহিতার প্রধান গুরুত্বসমূহ নিচে আলোচনা করা হলো:

১. শল্যচিকিৎসার আকর গ্রন্থ: সুশ্রুতসংহিতাকে প্রধানত শল্যচিকিৎসা বা অস্ত্রোপচারের (Surgery) মূল আকর গ্রন্থ হিসেবে গণ্য করা হয়। অস্ত্রোপচারের বিভিন্ন পদ্ধতি, ক্ষতের চিকিৎসা এবং রক্তপাত বন্ধ করার নানাবিধ কৌশল এতে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে বর্ণিত হয়েছে।

২. অস্ত্রোপচারের যন্ত্রপাতির বিবরণ: গ্রন্থে প্রায় ১২১ প্রকার শল্যযন্ত্র (Surgical Instruments) এবং বহুবিধ শস্ত্রের বিবরণ রয়েছে। এগুলিকে সিংহমুখ, কঙ্কমুখ ইত্যাদি প্রাকৃতিক আকৃতির ওপর ভিত্তি করে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে।

৩. প্লাস্টিক সার্জরি বা প্লাস্টিক শল্যচিকিৎসার জনক: বিশ্ব ইতিহাসে সুশ্রুতকে ‘প্লাস্টিক সার্জরির জনক’ বলা হয়। কানের লতি পুনর্গঠন এবং কাটা নাক জোড়া লাগানোর (Rhinoplasty) প্রাচীনতম বৈজ্ঞানিক বিবরণ এই গ্রন্থেই পাওয়া যায়।

৪. মশব ব্যবচ্ছেদ ও শারীরস্থানবিদ্যা: নির্ভুল অস্ত্রোপচারের উদ্দেশ্যে মৃতদেহ ব্যবচ্ছেদ (Anatomical Dissection) করে মানবদেহের পেশি, শিরা, ধমনি ও অস্থির পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ এতে প্রদান করা হয়েছে, যা প্রাচীনকালে বিরল ছিল।

৫. অ্যালকোহল ও অবেদনিক প্রয়োগ: অস্ত্রোপচারের সময় রোগীর যন্ত্রণা কমাতে অ্যালকোহল ও বিভিন্ন উদ্ভিজ্জ নির্জাসের মাধ্যমে চেতনানাশক বা অবেদনিক (Anesthetics) ব্যবহারের প্রাথমিক রূপ সুশ্রুতসংহিতায় উল্লেখ আছে।

সংক্ষেপে, প্রাচীন ভারতে শল্যচিকিৎসাকে বৈজ্ঞানিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে এবং বিশ্ব চিকিৎসাবিজ্ঞানে ভারতের স্থান সুদৃঢ় করতে সুশ্রুতসংহিতার অবদান অপরিসীম।

B) শ্রীজীব ন্যায়তীর্থের সাহিত্যকৃতি ও রচনাশৈলীর সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।

উত্তর: বিংশ শতাব্দীর আধুনিক সংস্কৃত সাহিত্যের অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র হলেন পণ্ডিত শ্রীজীব ন্যায়তীর্থ। তিনি একাধারে নাট্যকার, কবি, প্রাবন্ধিক এবং সুপণ্ডিত ছিলেন। তাঁর সাহিত্যকৃতি ও অনন্য রচনাশৈলী আধুনিক সংস্কৃত সাহিত্যকে এক নবদিগন্তে উন্নীত করেছে।

শ্রীজীব ন্যায়তীর্থের সাহিত্যকৃতি ও রচনাশৈলীর বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:

১. সাহিত্যকৃতি (নাট্য ও কাব্য সম্ভার):
তিনি প্রায় ২৫টিরও বেশি রূপক বা নাটক রচনা করেছেন। তাঁর রচনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য নাট্যকৃতিগুলি হলো— ‘পুরুষরমণীয়ম্’, ‘পুরুষোত্তমম্’, ‘বৈধব্য হিংসা’, ‘ভগবদ্বাসুদেবম্’, ‘শতবার্ষিকী’ এবং প্রহসনমূলক নাটক ‘বিধিবিপাকম্’, ‘কৌপীনক্রমণম্’ ইত্যাদি। এ ছাড়া তিনি বহু কবিতা, গান ও প্রবন্ধ রচনা করেছেন।

২. বিষয়বস্তুর আধুনিকতা ও সামাজিক সচেতনতা:
শ্রীজীব ন্যায়তীর্থের রচনায় প্রথাগত পৌরাণিক কাহিনীর পাশাপাশি সাময়িক সামাজিক সমস্যা, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, দুর্নীতি ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে তীব্র ব্যঙ্গ প্রকাশ পেয়েছে। তাঁর ‘বৈধব্য হিংসা’ বা ‘শতবার্ষিকী’ নাটকে সমাজ-সচেতনতার সুস্পষ্ট প্রতিফলন দেখা যায়।

৩. প্রহসন ও হাস্যরসের সৃষ্টি:
সংস্কৃত সাহিত্যকে জটিলতা থেকে মুক্ত করে সাধারণ পাঠকের কাছে আনন্দদায়ক করে তুলতে তিনি প্রচুর প্রহসন বা হাসির নাটক লিখেছেন। হাস্যরস ও ব্যঙ্গাত্মক উপাদানের মাধ্যমে সমাজ সংস্কারই ছিল তাঁর অন্যতম লক্ষ্য।

৪. রচনাশৈলী ও ভাষা প্রাচুর্য:
তাঁর রচনাশৈলী অত্যন্ত সাবলীল, প্রাঞ্জল ও গতিময়। সংস্কৃত ভাষার কঠিন ও জটিল শব্দজাল পরিহার করে তিনি সহজ-সরল অলঙ্কারপূর্ণ অথচ আধুনিক বোধ্য ভাষা ব্যবহার করেছেন। ছন্দের বৈচিত্র্য এবং সংলাপে স্বাভাবিকতা তাঁর নাটকগুলিকে অনন্য মাত্রা দিয়েছে।

সারসংক্ষেপে, প্রাচীন ঐতিহ্যের সাথে আধুনিক ভাবধারার মেলবন্ধন ঘটিয়ে শ্রীজীব ন্যায়তীর্থ সংস্কৃত সাহিত্যকে নবরূপে সমৃদ্ধ করেছেন।

5. চারটি প্রশ্নের মধ্যে যে-কোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর দাও:

A) স্বর্ণবীজ বপনে কেউ রাজি হননি কেন?

উত্তর: সংস্কৃত সাহিত্যের আধুনিক লোককথা বা নীতিগল্পভিত্তিক রচনার অন্যতম হৃদয়গ্রাহী পর্ব হলো ‘স্বর্ণবীজ বপন’-এর ঘটনা। গল্পের নীতিগত পরীক্ষা ও শর্তের কারণেই সভার কেউ স্বর্ণবীজ বপন করতে রাজি হননি।

স্বর্ণবীজ বপনে কারো রাজি না হওয়ার প্রধান কারণসমূহ নিচে আলোচনা করা হলো:

১. শর্তের কঠোরতা: রাজা বা বিচারক যখন স্বর্ণবীজটি বপন করার আহ্বান জানান, তখন একটি বিশেষ শর্ত আরোপ করা হয়। শর্তটি ছিল— কেবল সেই ব্যক্তিই এই স্বর্ণবীজটি মাটিতে রোপণ করতে পারবেন, যিনি জীবনে কখনো কোনো পাপ, মিথ্যাচার বা অন্যায় কাজ করেননি।

২. পাপবোধ ও আত্মগ্লানি: রাজসভার মন্ত্রী, সভাসদ, সেনাপতি এমনকি প্রধান পুরোহিতও মনে মনে জানতেন যে জীবনের কোনো না কোনো পর্যায়ে তারা অসত্য ভাষণ, ছলনা বা ছোট-বড় অন্যায় করেছেন। ফলে শর্তটি শোনার পর প্রত্যেকেই তীব্র আত্মগ্লানি ও পাপবোধে ভূগতে থাকেন।

৩. প্রতারণা ধরা পড়ার ভয়: অন্যায্যভাবে বীজ বপন করতে গেলে তাদের অতীত অপকর্ম ও ভণ্ডামি সবার সামনে প্রকাশ পেয়ে যাবে এবং সমাজে সম্মানহানি ঘটবে— এই আশঙ্কায় কেউ এগিয়ে আসার সাহস দেখাননি।

৪. মানবচরিত্রের স্বাভাবিক ত্রুটি: গল্পে রাজসভার প্রত্যেক ব্যক্তির অপারগতা মূলত এই সত্যটিকেই তুলে ধরে যে নিষ্কলঙ্ক বা সম্পূর্ণ পাপহীন মানুষ বাস্তবে বিরল। প্রত্যেকেই নিজ নিজ অপরাধবোধের কারণে স্বতঃস্ফূর্তভাবে পিছিয়ে আসেন।

সুতরাং, সার্বিক নৈতিক অসচ্ছতা এবং ‘কখনো কোনো পাপ না করার’ কঠিন শর্ত পূরণ করতে না পারার কারণেই রাজসভার কেউ স্বর্ণবীজ বপনে রাজি হননি।

B) ‘হিতং মনোহারি চ দুর্লভং বচঃ’ – উক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: মহাকবি ভারবি রচিত ‘কিরাতার্জুনীয়ম্’ মহাকাব্যের প্রথম সর্গের অন্তর্গত অন্যতম সুপ্রসিদ্ধ ও নীতিগর্ভ উক্তি হলো— ‘হিতং মনোহারি চ দুর্লভং বচঃ’

বনেচর যুধিষ্ঠিরের উদ্দেশ্যে শ্লেষ ও গাম্ভীর্যপূর্ণ এই চিরন্তন সত্যটি ব্যক্ত করেছেন। উক্তিটির গুঢ় তাৎপর্য নিচে আলোচনা করা হলো:

১. উক্তিটির সাধারণ অর্থ: বাক্যটির সরল অর্থ হলো— ‘হিতকর (কল্যাণকর) এবং মনোহারী (শ্রুতিমধুর বা আনন্দদায়ক) কথা একই সাথে লাভ করা অত্যন্ত দুর্লভ।’

২. প্রেক্ষাপট ও প্রেক্ষাপটের গুরুত্ব: দুর্যোধনের শাসনপদ্ধতি ও গোপন সংবাদ সংগ্রহের জন্য যুধিষ্ঠির বনেচরকে হস্তিনাপুরে পাঠিয়েছিলেন। ফিরে এসে গুপ্তচর সত্য তথ্য পরিবেশন করার পূর্বে বিনয়ের সাথে জানান যে, রাজাদের কাছে অপ্রিয় কিন্তু সত্য তথ্য পরিবেশন করা কঠিন। কারণ মিথ্যা তোষামোদ করা সহজ হলেও, যা বাস্তবিকভাবে কল্যাণকর তা অনেক সময় শুনতে মধুর নাও হতে পারে।

৩. হিতকর বনাম প্রিয় কথন: মানুষের স্বাভাবিক প্রবণতা হলো প্রশংসা ও মিষ্টি কথা শুনতে ভালোবাসা। কিন্তু চিকিৎসকের কটু ঔষধ যেমন ব্যাধি নিরাময় করে, তেমনি সৎ উপদেষ্টার কটু সত্য বাক্যও ভবিষ্যৎ বিপদ থেকে রক্ষা করে। পরম হিতকামী ব্যক্তি কখনোই প্রভূকে সন্তুষ্ট করার জন্য মিথ্যা তোষামোদ করেন না।

৪. সার্বজনীন নীতি ও বাস্তবতা: মহাকবি ভারবি এই উক্তির মাধ্যমে রাজনীতি ও সাধারণ জীবনের এক পরম সত্যকে তুলে ধরেছেন। যে কথা শুনলে মন আনন্দিত হয়, তা প্রায়শই কল্যাণকর হয় না; আবার যা সত্যিই মঙ্গলময়, তা শোনার সময় তিক্ত বা অপ্রিয় মনে হতে পারে। তাই সত্য, কল্যাণকর অথচ মিষ্টভাষী বাক্য পাওয়া সংসারে অত্যন্ত বিরল।

পরিশেষে বলা যায়, বাস্তবসম্মত সত্যকে মেনে নিয়ে হিতকর উপদেশ গ্রহণ করার মানসিকতাই একজন বুদ্ধিমান ও দূরদর্শী শাসকের প্রকৃত লক্ষণ— এটিই এই উক্তির মূল শিক্ষা।

C) আত্রেয়ীর অগস্ত্য আশ্রমে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: মহাকবি ভবভূতি রচিত বিখ্যাত নাটক ‘উত্তররামচরিতম্’-এর দ্বিতীয় অঙ্কে তাপসী আত্রেয়ীর অগস্ত্যাশ্রমে গমনের কারণ বর্ণিত হয়েছে। মূলত দুটি প্রধান উদ্দেশ্যে তিনি বাল্মীকি আশ্রম ত্যাগ করে দক্ষিণাপথে মহর্ষি অগস্ত্যের আশ্রমে যাত্রাপথ অবলম্বন করেছিলেন।

আত্রেয়ীর অগস্ত্যাশ্রমে যাওয়ার প্রধান কারণসমূহ নিচে ব্যাখ্যা করা হলো:

১. বেদান্ত শিক্ষা ও অধ্যয়নে বাধা: আত্রেয়ী মহর্ষি বাল্মীকের আশ্রমে বেদান্ত শাস্ত্র অধ্যয়ন করছিলেন। কিন্তু সেখানে লব ও কুশ নামক দুই অসাধারণ প্রতিভাধর শিশুর আগমন ঘটে। তাদের প্রখর মেধা ও অবিশ্বাস্য স্মৃতিশক্তির কারণে আধ্যয়ন-অধ্যাপনার গতি অত্যন্ত দ্রুত হয়ে পড়ে। আত্রেয়ী লক্ষ্য করেন যে, তাদের সাথে একই গতিতে বেদান্তের জটিল তত্ত্ব অনুধাবন করা তাঁর মতো সাধারণ বুদ্ধিসম্পন্ন শিক্ষার্থীর পক্ষে সম্ভব হচ্ছিল না।

২. শান্ত ও অনুকূল পরিবেশের সন্ধান: মহর্ষি বাল্মীকি লাভ ও কুশের দিকেই বিশেষ দৃষ্টি দিতে বাধ্য হচ্ছিলেন। তাই আত্রেয়ী নিজ অধ্যয়নের সুবিধার জন্য এমন একটি আশ্রমে যেতে চেয়েছিলেন যেখানে বেদান্তবিদ ও প্রবীণ মুনি-ঋষিগণ বাস করেন এবং যেখানে শান্ত পরিবেশে গভীর শাস্ত্রচর্চা সম্ভব।

৩. অগস্ত্যাশ্রমের বিশেষত্ব: দক্ষিণাপথের অগস্ত্যাশ্রম ছিল বহু জ্ঞানবৃদ্ধ ঋষিদের কেন্দ্রস্থল। সেখানে মহর্ষি অগস্ত্য সহ অন্যান্য মুনিগণ গভীর বেদান্তচর্চা করতেন। তাই আত্রেয়ী স্থির করেন যে অগস্ত্যাশ্রমে গেলেই তিনি বিঘ্নহীনভাবে বেদান্ত ও অন্যান্য শাস্ত্রের অগাধ জ্ঞান লাভ করতে পারবেন।

সংক্ষেপে বলা যায়, লব-কুশের প্রখর মেধার কারণে সৃষ্ট অধ্যয়নের প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করা এবং শান্ত পরিবেশে মহর্ষি অগস্ত্য ও অন্যান্য ঋষিদের সান্নিধ্যে বেদান্তবিদ্যা নিখুঁতভাবে আয়ত্ত করাই ছিল আত্রেয়ীর অগস্ত্যাশ্রমে গমনের মূল উদ্দেশ্য।

D) ‘আত্রেয়ী বনদেবতা সংবাদঃ’ পাঠ্যটির নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।

উত্তর: সাহিত্যকৃতিতে নামকরণ একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়। নামকরণের মাধ্যমে রচনার মূল বিষয়বস্তু, চরিত্র বা মূল ভাবভাবনা প্রতিফলিত হয়। মহাকবি ভবভূতি রচিত বিখ্যাত নাটক ‘উত্তররামচরিতম্’-এর দ্বিতীয় অঙ্কের প্রারম্ভিক অংশটি ‘আত্রেয়ী-বনদেবতা সংবাদঃ’ নামে আমাদের পাঠ্যাংশ হিসেবে সংকলিত হয়েছে।

পাঠ্যাংশটির নামকরণের সার্থকতা নিচে আলোচনা করা হলো:

১. বিষয়বস্তু ও কাহিনীর অগ্রগতি: ‘সংবাদ’ শব্দের অর্থ কথোপকথন বা বার্তা বিনিময়। এই পাঠ্যাংশে তাপসী আত্রেয়ী এবং দণ্ডকার অরণ্যের বনদেবতা বাসন্তীর মধ্যকার বাক্যালাপের মাধ্যমে সীতাবিসর্জনের পরবর্তী বহু অজানা তথ্য ও রামচন্দ্রের করুণ অবস্থার বিবরণ প্রকাশ পেয়েছে।

২. চরিত্র দুটির ভূমিকা: আত্রেয়ী বেদান্ত শিক্ষার উদ্দেশ্যে বাল্মীকি আশ্রম ছেড়ে অগস্ত্যাশ্রমে যাচ্ছেন, আর বাসন্তী হলেন সেই অরণ্যের অধিষ্ঠাত্রী দেবী। এই দুই পাত্র-পাত্রীর সাক্ষাতের ফলেই কাহিনীর প্রাক-প্রেক্ষাপট নির্মিত হয়েছে।

৩. গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদ্ঘাটন: তাঁদের এই কথোপকথনের মাধ্যমেই পাঠক জানতে পারেন—
• মহর্ষি বাল্মীকি কর্তৃক রামায়ণ কাব্য রচনার সূচনা এবং লব-কুশের প্রখর মেধার কথা।
• রামচন্দ্র কর্তৃক অশ্বমেধ যজ্ঞের আয়োজন এবং সীতার স্বর্ণমূর্তি প্রতিষ্ঠার কাহিনী।
• প্রজা রঞ্জনের উদ্দেশ্যে রামের চরম আত্মত্যাগ ও তাঁর ব্যাকুল হৃদয়ের বিরহবেদনা।

৪. নাটকীয় সংযোগ স্থাপন: ভবভূতি এই দুই চরিত্রের সংবাদের মাধ্যমে প্রথম অঙ্কের সীতাবিসর্জন এবং পরবর্তী অঙ্কে পঞ্চবটীতে রামের প্রত্যাবর্তনের মধ্যে একটি সুন্দর নাটকীয় সেতু বা সংযোগ তৈরি করেছেন।

সংক্ষেপে, সমগ্র পাঠ্যাংশটি আত্রেয়ী এবং বনদেবতা বাসন্তীর কথোপকথন বা সংবাদকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে। তাই বিষয়বস্তু ও নাট্যপ্রয়োজনের দিক থেকে ‘আত্রেয়ী বনদেবতা সংবাদঃ’ নামকরণটি সর্বতোভাবে স্বার্থক ও উপযুক্ত হয়েছে।

Shares:

Related Posts

Class 12 Semester 4 Nutrition Question Paper with Solution PDF 2025 26 1
Class 12

Class 12 Semester 4 Nutrition Question Paper with Solution PDF 2025-26 | উচ্চমাধ্যমিক চতুর্থ সেমিস্টার পুষ্টিবিদ্যা প্রশ্নপত্র উত্তর সহ

Class 12 Semester 4 Nutrition Question Paper with Solution PDF 2025-26 উচ্চমাধ্যমিক দ্বাদশ শ্রেণীর চতুর্থ সেমিস্টারের পুষ্টিবিদ্যা প্রশ্নপত্র উত্তরসহ ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য এখানে PDF আকারে দেওয়া হলো। এই পোস্টে প্রশ্নপত্রের
Class 12 Semester 3 Education Question Paper with Solution PDF
Class 12

Class 12 Semester 3 Education Question Paper with Solution PDF 2025-26 | উচ্চমাধ্যমিক তৃতীয় সেমিস্টার শিক্ষাবিজ্ঞান প্রশ্নপত্র উত্তর সহ

Class 12 Semester 3 Education Question Paper with Solution PDF 2025-26 উচ্চমাধ্যমিক দ্বাদশ শ্রেণীর তৃতীয় সেমিস্টারের ইতিহাস প্রশ্নপত্র উত্তরসহ ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য এখানে PDF আকারে দেওয়া হলো। শিক্ষার্থীরা এই প্রশ্নপত্র
Class 12 Semester 4 English Three Questions Short Question Notes
Class 12

Class 12 Semester 4 English Three Questions Long Question Notes | উচ্চমাধ্যমিক চতুর্থ সেমিস্টার Three Question দীর্ঘউত্তরধর্মী প্রশ্ন উত্তর

Class 12 Semester 4 English Three Questions Long Question Notes দ্বাদশ শ্রেণীর চতুর্থ সেমিস্টারের ইংরেজি পাঠ “Three Questions” শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। লিও টলস্টয়ের এই গল্পটি জীবনের বাস্তব
Class 12 Semester 4 Education Question Paper with Solution PDF 2025-26
Class 12

Class 12 Semester 4 Education Question Paper with Solution PDF 2025-26 | উচ্চমাধ্যমিক চতুর্থ সেমিস্টার শিক্ষাবিজ্ঞান প্রশ্নপত্র উত্তর সহ

Class 12 Semester 4 Education Question Paper with Solution PDF 2025-26 উচ্চমাধ্যমিক দ্বাদশ শ্রেণীর চতুর্থ সেমিস্টারের শিক্ষাবিজ্ঞান প্রশ্নপত্র উত্তরসহ ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য এখানে PDF আকারে দেওয়া হলো। এই পোস্টে প্রশ্নপত্রের

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *