Class 12 Semester 4 Nutrition Question Paper with Solution PDF 2025-26
উচ্চমাধ্যমিক দ্বাদশ শ্রেণীর চতুর্থ সেমিস্টারের পুষ্টিবিদ্যা প্রশ্নপত্র উত্তরসহ ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য এখানে PDF আকারে দেওয়া হলো। এই পোস্টে প্রশ্নপত্রের প্রতিটি প্রশ্নের সঠিক ও সহজবোধ্য উত্তর দেওয়া হয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীরা নিজেদের উত্তর মিলিয়ে নিতে পারে এবং পরীক্ষার প্রস্তুতি আরও ভালোভাবে করতে পারে। Class 12 Semester 4 Nutrition Question Paper with Solution PDF 2025-26 শিক্ষার্থীদের দ্রুত পুনরাবৃত্তি ও পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য বিশেষভাবে সহায়ক হবে।
১. চারটি প্রশ্নের মধ্যে যে-কোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর দাও:
A) নিস্টালোপিয়া (Nyctalopia) কী?
B) একটি উদাহরণসহ ‘খাদ্য প্রতিস্থাপন তালিকা’র সংজ্ঞা দাও।
উদাহরণ: ১ কাপ দুধের পরিবর্তে প্রায় ১ কাপ দই গ্রহণ করা যেতে পারে। উভয় খাদ্যই প্রায় একই ধরনের পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করে।
C) অস্টিওম্যালাশিয়া ও রিকেটের মধ্যে পার্থক্য করো।
| বিষয় | অস্টিওম্যালাশিয়া | রিকেট |
|---|---|---|
| আক্রান্ত ব্যক্তির বয়স | মূলত প্রাপ্তবয়স্কদের হয়। | মূলত শিশুদের হয়। |
| প্রধান কারণ | ভিটামিন D-এর অভাবের ফলে হাড়ে খনিজের ঘনত্ব কমে যায়। | ভিটামিন D-এর অভাবে শিশুদের হাড়ের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও খনিজীকরণ ব্যাহত হয়। |
| প্রধান লক্ষণ | হাড় নরম ও দুর্বল হয়ে যায় এবং হাড়ে ব্যথা ও ভঙ্গুরতা দেখা দিতে পারে। | হাড় নরম ও দুর্বল হয়ে যায় এবং পা বাঁকা, কবজি মোটা ইত্যাদি অস্বাভাবিকতা দেখা দিতে পারে। |
D) G.D.M. কী?
২. ছয়টি প্রশ্নের মধ্যে যে-কোনো তিনটি প্রশ্নের উত্তর দাও:
A) হাইপারএমেসিস গ্রাভিডেরাম কী?
B) অ্যানজাইনা পেকটোরিস কী?
C) FTT (Failure to Thrive) কী?
D) ‘টপমিল্ক’ কী?
E) স্প্যাসটিক কোষ্ঠকাঠিন্যের সংজ্ঞা দাও।
F) জন্ডিসের সংজ্ঞা দাও।
৩. ছয়টি প্রশ্নের মধ্যে যে-কোনো তিনটি প্রশ্নের উত্তর দাও:
A) অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস বলতে কী বোঝো? একজন হৃদ্রোগীর কোন্ কোন্ ধরনের খাদ্য এড়িয়ে চলা উচিত? DASH ডায়েট কী?
হৃদ্রোগীর এড়িয়ে চলা উচিত এমন খাদ্য:
১. অতিরিক্ত স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও ট্রান্স ফ্যাটযুক্ত খাবার, যেমন—ঘি, মাখন, ডালডা, চর্বিযুক্ত মাংস ও ভাজাভুজি।
২. অতিরিক্ত কোলেস্টেরলযুক্ত খাবার, বিশেষ করে অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মাংস ও অতিরিক্ত ডিমের কুসুম।
৩. অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাবার, যেমন—আচার, প্যাকেটজাত খাবার ও অতিরিক্ত নোনতা খাবার।
৪. অতিরিক্ত চিনি ও মিষ্টিজাতীয় খাবার এবং চিনিযুক্ত পানীয়।
DASH ডায়েট: DASH-এর পূর্ণরূপ Dietary Approaches to Stop Hypertension। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ ও হৃদ্স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য এই খাদ্যাভ্যাসে বেশি পরিমাণে ফল, শাকসবজি, সম্পূর্ণ শস্য, ডাল, বাদাম ও কম-চর্বিযুক্ত দুধজাত খাবার গ্রহণ করা হয় এবং লবণ, স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও অতিরিক্ত চিনি কম গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
B) যক্ষা রোগের জন্য দায়ী জীবাণুর নাম কী? PEM-এর শ্রেণীবিভাগ করো।
PEM-এর শ্রেণীবিভাগ: PEM-এর পূর্ণরূপ হলো Protein Energy Malnutrition বা প্রোটিন-শক্তির অপুষ্টি। এর প্রধান শ্রেণীবিভাগ হলো—
১. মারাসমাস (Marasmus): খাদ্যে প্রোটিন ও শক্তি—উভয়েরই তীব্র ঘাটতির ফলে এই ধরনের অপুষ্টি দেখা দেয়। শিশুর শরীর অত্যন্ত শুকিয়ে যায় এবং ওজন খুব কমে যায়।
২. কোয়াশিওরকর (Kwashiorkor): প্রধানত খাদ্যে প্রোটিনের তীব্র ঘাটতির ফলে এই ধরনের অপুষ্টি হয়। শরীরে জল জমে ফোলা ভাব, বিশেষ করে পেট ফুলে যাওয়া, দেখা দিতে পারে।
C) কোন্ প্রজেক্টকে এখন ‘PM-POSHAN’ স্কিম বলা হয়? এই স্কিমের উদ্দেশ্য ও সফলতা উল্লেখ করো।
উদ্দেশ্য:
১. বিদ্যালয়ে পড়ুয়া শিশুদের পুষ্টির মান উন্নত করা।
২. শিশুদের ক্ষুধা ও অপুষ্টি কমানো।
৩. শিশুদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি ও নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসার প্রবণতা বৃদ্ধি করা।
৪. শিশুদের বিদ্যালয়ে ধরে রাখা এবং ঝরে পড়ার হার কমানো।
সফলতা:
১. বিদ্যালয়ের শিশুদের মধ্যে অপুষ্টি ও ক্ষুধার সমস্যা কমাতে সাহায্য করেছে।
২. বিদ্যালয়ে শিশুদের উপস্থিতি ও ভর্তির হার বৃদ্ধিতে সহায়তা করেছে।
৩. শিশুদের বিদ্যালয়ে ধরে রাখতে এবং ঝরে পড়ার প্রবণতা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
৪. শিশুদের মধ্যে সামাজিক সম্প্রীতি ও একসঙ্গে খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে সাহায্য করেছে।
D) পুষ্টি শিক্ষাদানে সংক্ষেপে ICDS-এর ভূমিকা লেখো। 600 kcal-এর একটি প্রাতরাশের মধ্যে 75 g কার্বোহাইড্রেট এবং 14 g ফ্যাট বর্তমান। এই খাদ্যের মধ্যে প্রোটিনের পরিমাণ কত, গণনা করো।
১. অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের মাধ্যমে শিশু ও মায়েদের পুষ্টি শিক্ষা দেওয়া হয়।
২. সুষম খাদ্য, শিশুর খাদ্যাভ্যাস, স্তন্যপান ও পরিপূরক খাদ্য সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা হয়।
৩. অপুষ্ট শিশুদের শনাক্ত করে তাদের অতিরিক্ত পুষ্টি সহায়তা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়।
প্রোটিনের পরিমাণ নির্ণয়:
দেওয়া আছে, মোট শক্তি = 600 kcal
কার্বোহাইড্রেট = 75 g
ফ্যাট = 14 g
কার্বোহাইড্রেট থেকে প্রাপ্ত শক্তি,
75\times4=300\text{ kcal}
ফ্যাট থেকে প্রাপ্ত শক্তি,
14\times9=126\text{ kcal}
অতএব, কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট থেকে মোট শক্তি,
300+126=426\text{ kcal}
প্রোটিন থেকে প্রাপ্ত শক্তি,
600-426=174\text{ kcal}
1 g প্রোটিন থেকে 4 kcal শক্তি পাওয়া যায়।
সুতরাং, প্রোটিনের পরিমাণ,
\frac{174}{4}=43.5g
উত্তর: খাদ্যটিতে প্রোটিনের পরিমাণ 43.5 g
E) পেপটিক আলসারের চারটি উপসর্গ লেখো। পেপটিক আলসার রোগীকে যে ধরনের খাদ্য দেওয়া হয় তা আলোচনা করো।
১. পেটের ওপরের অংশে জ্বালা বা ব্যথা অনুভূত হয়।
২. বমি বমি ভাব ও বমি হতে পারে।
৩. অরুচি ও খাবারে অনীহা দেখা যায়।
৪. বদহজম, পেট ফাঁপা ও ঢেকুর ওঠার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
পেপটিক আলসার রোগীর খাদ্য: পেপটিক আলসার রোগীকে এমন খাদ্য দেওয়া উচিত যা সহজপাচ্য, কম মশলাযুক্ত এবং পাকস্থলীতে কম জ্বালা সৃষ্টি করে।
১. অল্প অল্প করে দিনে ৫–৬ বার খাবার দেওয়া উচিত।
২. দুধ, দই, ডিম, মাছ, নরম রান্না করা শাকসবজি ও সহজপাচ্য খাবার পরিমাণমতো দেওয়া যেতে পারে।
৩. ভাত, রুটি, সুজি, ওটস ইত্যাদি সহজপাচ্য শর্করাজাতীয় খাবার দেওয়া যায়।
৪. পর্যাপ্ত জল পান করতে উৎসাহিত করা উচিত।
৫. অতিরিক্ত ঝাল, মশলা, আচার, ভাজাভুজি ও অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।
৬. চা, কফি, কোলা বা ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় এবং ধূমপান ও অ্যালকোহল এড়িয়ে চলা উচিত।
F) AMB-র সম্পূর্ণ নাম কী? AMB-র মধ্যে 6 x 6 x 6 পন্থা বলতে কী বোঝো?
6 × 6 × 6 পন্থা: Anemia Mukt Bharat কর্মসূচির 6 × 6 × 6 পন্থা বলতে ৬টি লক্ষ্যভিত্তিক জনগোষ্ঠী, ৬টি প্রধান হস্তক্ষেপ এবং ৬টি প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা-র মাধ্যমে অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা নিয়ন্ত্রণ ও হ্রাস করার কৌশলকে বোঝায়।
৬টি লক্ষ্যভিত্তিক জনগোষ্ঠী: শিশু, কিশোর-কিশোরী, প্রজননক্ষম মহিলা, গর্ভবতী মহিলা, স্তন্যদাত্রী মা এবং ১৫–৪৯ বছর বয়সি পুরুষ।
৬টি প্রধান হস্তক্ষেপ: আয়রন-ফোলিক অ্যাসিড সম্পূরক প্রদান, ডিওয়ার্মিং, আচরণ পরিবর্তন ও সচেতনতা সৃষ্টি, অ্যানিমিয়া শনাক্তকরণ ও চিকিৎসা, ম্যালেরিয়া ও হিমোগ্লোবিনোপ্যাথি নিয়ন্ত্রণ এবং খাদ্যদুর্গমতা ও পুষ্টি-সংক্রান্ত অন্যান্য কারণ মোকাবিলা।
৬টি প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা: কার্যকর সরবরাহ ব্যবস্থা, প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধি, যোগাযোগ ও সচেতনতা, আন্তঃবিভাগীয় সমন্বয়, তথ্য সংগ্রহ ও পর্যবেক্ষণ এবং কর্মসূচির মূল্যায়ন ও পর্যালোচনা।
৪. চারটি প্রশ্নের মধ্যে যে-কোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর দাও:
A) ‘পোষণ অভিযান’ সম্বন্ধে একটি সংক্ষিপ্ত টীকা লেখো।
১. সূচনা: শিশু, গর্ভবতী নারী ও প্রসূতি মায়েদের মধ্যে অপুষ্টি, রক্তাল্পতা ও স্টান্টিং দূরীকরণের লক্ষ্যে ভারত সরকারের মহিলা ও শিশু বিকাশ মন্ত্রক ২০১৮ সালের ৮ই মার্চ রাজস্থান থেকে এই কর্মসূচি সূচনা করে।
২. মূল লক্ষ্যসমূহ: স্টান্টিং (Stunting) হ্রাস: ০–৬ বছর বয়সী শিশুদের বয়সের তুলনায় কম উচ্চতার সমস্যা প্রতি বছর ২% হারে কমানো।
অপুষ্টি হ্রাস: শিশুদের কম ওজনের সমস্যা প্রতি বছর ২% হারে হ্রাস করা।
রক্তাল্পতা (Anaemia) দূরীকরণ: শিশু, কিশোরী ও মায়েদের রক্তাল্পতা প্রতি বছর ৩% হারে কমানো।
কম ওজনের শিশু জন্ম প্রতিরোধ: জন্মের সময় কম ওজনের শিশু জন্মের হার প্রতি বছর ২% হ্রাস করা।
৩. প্রধান বৈশিষ্ট্য ও প্রযুক্তি: পোষণ ট্র্যাকার (Poshan Tracker): অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের মাধ্যমে স্মার্টফোনে স্বাস্থ্য তথ্য রিয়েল-টাইমে নজরদারি করা হয়।
জন আন্দোলন: প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাসকে ‘পোষণ মাহ্’ (Poshan Maah) হিসেবে পালন করে পুষ্টি সম্পর্কিত সচেতনতা বাড়ানো হয়।
পোষণ ২.০: বর্তমানে একে ‘সক্ষম অঙ্গনওয়াড়ি ও পোষণ ২.০’ হিসেবে পুনর্গঠিত করে স্থানীয় পুষ্টিকর খাবারের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
৪. উপসংহার: পোষণ অভিযান কেবল সরকারি উদ্যোগ নয়, এটি একটি ‘জন আন্দোলন’। গ্রামীণ স্তরে স্বাস্থ্য সচেতনতা ও সঠিক পুষ্টি নিশ্চিত করে অপুষ্টিমুক্ত ভারত গঠনে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
B) গয়ট্রোজেনের শ্রেণীবিভাগ করো। আয়োডিন সমৃদ্ধকরণের জন্য খাদ্যলবণকে বাহক হিসেবে ব্যবহার করা হয় কেন?
১. প্রাকৃতিক গয়ট্রোজেন: কিছু খাদ্যদ্রব্যে স্বাভাবিকভাবে উপস্থিত থাকে। যেমন—বাঁধাকপি, ফুলকপি, শালগম, সরিষা, সয়াবিন ইত্যাদি।
২. ঔষধজাত গয়ট্রোজেন: কিছু ওষুধ বা রাসায়নিক পদার্থ থাইরয়েড হরমোনের সংশ্লেষণে বাধা দিয়ে গয়ট্রোজেনের মতো কাজ করে।
৩. পরিবেশগত বা অন্যান্য গয়ট্রোজেন: পরিবেশে উপস্থিত কিছু রাসায়নিক পদার্থ বা দূষক থাইরয়েডের স্বাভাবিক কার্যকারিতায় বাধা দিতে পারে।
আয়োডিন সমৃদ্ধকরণের জন্য খাদ্যলবণকে বাহক হিসেবে ব্যবহার করার কারণ:
১. লবণ প্রায় প্রত্যেক মানুষের দৈনন্দিন খাদ্যের একটি অপরিহার্য উপাদান এবং অল্প পরিমাণে নিয়মিত গ্রহণ করা হয়।
২. লবণের সঙ্গে নির্দিষ্ট পরিমাণ আয়োডিন মিশিয়ে সহজেই সমগ্র জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়।
৩. লবণের দাম তুলনামূলকভাবে কম এবং সংরক্ষণ ও পরিবহন করা সহজ।
৪. লবণে অল্প পরিমাণ আয়োডিন সমানভাবে মিশিয়ে দেওয়া সম্ভব, ফলে নিয়মিত আয়োডিন গ্রহণ নিশ্চিত করা যায়।
৫. এই পদ্ধতি সহজ, সাশ্রয়ী ও কার্যকর হওয়ায় আয়োডিনের অভাবজনিত রোগ, বিশেষ করে গয়টার প্রতিরোধে আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়।
C) প্রি-এক্লাম্পসিয়া কী? গর্ভাবস্থায় আয়োডিন ও ফোলিক অ্যাসিডের অভাবজনিত পরিণতি উল্লেখ করো।
গর্ভাবস্থায় আয়োডিনের অভাবের পরিণতি:
১. মায়ের থাইরয়েড গ্রন্থির কার্যকারিতা ব্যাহত হয়ে গলগণ্ড বা গয়টার হতে পারে।
২. গর্ভপাত ও মৃত সন্তান প্রসবের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেতে পারে।
৩. ভ্রূণের মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের স্বাভাবিক বিকাশ ব্যাহত হতে পারে।
৪. শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে।
গর্ভাবস্থায় ফোলিক অ্যাসিডের অভাবের পরিণতি:
১. মায়ের মেগালোব্লাস্টিক অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা হতে পারে।
২. ভ্রূণের নিউরাল টিউবের ত্রুটি, যেমন স্পাইনা বিফিডা, হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
৩. ভ্রূণের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশ ব্যাহত হতে পারে।
৪. কম ওজনের শিশু জন্ম এবং গর্ভাবস্থাজনিত অন্যান্য জটিলতার ঝুঁকি বৃদ্ধি পেতে পারে।
D) ডায়াবেটিস মেলিটাসের (DM) উপসর্গগুলি লেখো। DM-এর স্বল্পমেয়াদী জটিলতাগুলি লেখো।
১. ঘন ঘন ও অতিরিক্ত প্রস্রাব হওয়া (Polyuria)।
২. অতিরিক্ত তৃষ্ণা পাওয়া (Polydipsia)।
৩. অতিরিক্ত ক্ষুধা লাগা (Polyphagia)।
৪. পর্যাপ্ত খাবার গ্রহণ সত্ত্বেও ওজন কমে যাওয়া।
৫. দুর্বলতা ও অতিরিক্ত ক্লান্তি অনুভূত হওয়া।
৬. ক্ষত শুকাতে দেরি হওয়া এবং বারবার সংক্রমণ হওয়া।
৭. দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়ে যাওয়া।
DM-এর স্বল্পমেয়াদী জটিলতা:
১. হাইপোগ্লাইসেমিয়া (Hypoglycemia): রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা অত্যন্ত কমে গেলে ঘাম, কাঁপুনি, মাথা ঘোরা, বিভ্রান্তি এমনকি অচেতনতা দেখা দিতে পারে।
২. ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিস (DKA): শরীরে ইনসুলিনের তীব্র ঘাটতির ফলে রক্তে কিটোন বডি ও অম্লতা বেড়ে যায়। এতে বমি, পেটব্যথা, দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস ও অচেতনতা দেখা দিতে পারে।
৩. হাইপারঅসমোলার হাইপারগ্লাইসেমিক স্টেট (HHS): রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা অত্যন্ত বেড়ে গিয়ে তীব্র জলশূন্যতা, বিভ্রান্তি ও অচেতনতা সৃষ্টি করতে পারে।
৪. সংক্রমণ: রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি থাকলে বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেতে পারে।





