Madhyamik 2026 Mathematics Question Paper Solution
মাধ্যামিক ২০২৬ পরীক্ষার্থীদের জন্য জীবনবিজ্ঞান প্রশ্নপত্রের সম্পূর্ণ সমাধান এখানে উপস্থাপন করা হলো। এই পোস্টে বহুবিকল্পধর্মী প্রশ্ন, সংক্ষিপ্ত উত্তর, ব্যাখ্যামূলক ও রচনাধর্মী প্রশ্নের সহজ ও পরিষ্কার বাংলা ব্যাখ্যাসহ ধাপে ধাপে সমাধান দেওয়া হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ভিত্তিক আলোচনা ও পরীক্ষায় বেশি নম্বর পাওয়ার কৌশলও এখানে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
১. প্রতিটিপ্রশ্নের সঠিক বিকল্প উত্তরটি ক্রমিক সংখ্যাসহ উত্তরপত্রে লেখো:- (সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে)
১.১ নিচের কোন জোড়াটি সঠিক নয় ?
সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা: পনস মূলত শ্বাসপ্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। মূত্রত্যাগ নিয়ন্ত্রণের কাজ সুষুম্নাকাণ্ড ও সংশ্লিষ্ট স্নায়ুকেন্দ্রের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
১.২ কাজের প্রকৃতি অনুযায়ী অপটিক, ভেগাস ও ট্রোক্লিয়ার স্নায়ু হলো যথাক্রমে –
সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা: অপটিক স্নায়ু সংজ্ঞাবহ (sensory), ভেগাস স্নায়ু মিশ্র (mixed) এবং ট্রোক্লিয়ার স্নায়ু আজ্ঞাবহ (motor) প্রকৃতির।
১.৩ A-স্তম্ভে দেওয়া শব্দগুলির সঙ্গে B-স্তম্ভে দেওয়া বাক্যাংশগুলি মেলাও। B-স্তম্ভে একটি অতিরিক্ত বাক্যাংশ দেওয়া আছে।
A – স্তম্ভ
B – স্তম্ভ
i. ফোটোন্যাস্টিক চলন
a. লজ্জাবতীর পাতা স্পর্শ করলে মুড়ে যায়।
ii. থার্মোন্যাস্টিক চলন
b. সূর্যমুখীর ফুল তীব্র আলোতে ফোটে।
iii. সিসমোন্যাস্টিক চলন
c. সূর্যশিশিরের পাতার রোম পোকার দেহের রাসায়নিক পদার্থের প্রভাবে বেঁকে গিয়ে পোকাটিকে আঁকড়ে ধরে।
iv. কেমোন্যাস্টিক চলন
d. টিউলিপ ফুল বেশি উষ্ণতায় ফোটে।
e. গাছের মূল জলের দিকে এগিয়ে যায়।
| A – স্তম্ভ | B – স্তম্ভ |
|---|---|
| i. ফোটোন্যাস্টিক চলন | a. লজ্জাবতীর পাতা স্পর্শ করলে মুড়ে যায়। |
| ii. থার্মোন্যাস্টিক চলন | b. সূর্যমুখীর ফুল তীব্র আলোতে ফোটে। |
| iii. সিসমোন্যাস্টিক চলন | c. সূর্যশিশিরের পাতার রোম পোকার দেহের রাসায়নিক পদার্থের প্রভাবে বেঁকে গিয়ে পোকাটিকে আঁকড়ে ধরে। |
| iv. কেমোন্যাস্টিক চলন | d. টিউলিপ ফুল বেশি উষ্ণতায় ফোটে। |
| e. গাছের মূল জলের দিকে এগিয়ে যায়। |
১.৪ নিচের কোন ঘটনাটি প্রাণীকোষে মাইটোসিসের টেলোফেজে দেখা যায় ?
সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা: টেলোফেজ পর্যায়ে ক্রোমোজোমগুলি মেরুতে পৌঁছে যায় এবং নিউক্লিয়ার পর্দা ও নিউক্লিয়োলাস পুনরায় গঠিত হয়।
১.৫ স্বপরাগযোগ সম্পর্কে নিচের কোন বক্তব্যটি সঠিক ?
সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা: স্বপরাগযোগে একই ফুল বা একই গাছের মধ্যে পরাগ স্থানান্তর হয়, তাই বাহকের (যেমন পোকা বা বাতাস) প্রয়োজন হয় না।
১.৬ টেলোমিয়ার সম্পর্কে নিচের কতগুলি বক্তব্য সঠিক ?
• ক্রোমোজোমের প্রতিটি বাহুর প্রান্তকে টেলোমিয়ার বলা হয়।
• এই অংশে অপর কোনো ক্রোমোজোম যুক্ত হতে পারে না।
• এই অংশে বেসমেন্ট যুক্ত হয়।
• এই অংশটি নিউক্লিওলাস গঠনে অংশ নেয়।
সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা: টেলোমিয়ার ক্রোমোজোমের প্রান্তীয় অংশ এবং এখানে অন্য কোনো ক্রোমোজোম যুক্ত হতে পারে না। তবে এটি নিউক্লিওলাস গঠনে অংশ নেয় না এবং বেসমেন্ট যুক্ত হওয়ার কথাটিও সঠিক নয়। তাই দুটি বক্তব্য সঠিক।
১.৭ মটরগাছের ক্ষেত্রে কোনটি প্রকট গুণ ?
সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা: মটরগাছের ক্ষেত্রে গোল বীজ একটি প্রকট (dominant) গুণ। খর্ব কাণ্ড, শীর্ষে ফুল এবং সবুজ বীজপত্র অপপ্রকট (recessive) গুণের উদাহরণ।
১.৮ সাদা, অসমসৃণ বীজের ফেনোটাইপযুক্ত জিনোটাইপের একটি সম্ভাব্য জেনোটাইপ হল bbRr। এর অপর সম্ভাব্য জেনোটাইপটি কী ?
সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা: সাদা বীজের জন্য bb এবং অসমসৃণ (R) বৈশিষ্ট্যের জন্য অন্তত একটি R অ্যালিল থাকতে হবে। bbRr একটি সম্ভাব্য জেনোটাইপ, অন্য সম্ভাব্য জেনোটাইপ হলো bbRR।
১.৯ নিচের কোন বক্তব্যটি সঠিক ?
সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা: হিমোফিলিয়া একটি X-সংযোজিত প্রচ্ছন্ন (recessive) জিনগত রোগ। বর্ণান্ধতাও X-সংযোজিত প্রচ্ছন্ন, আর থ্যালাসেমিয়া অটোজোমবাহিত প্রচ্ছন্ন রোগ।
১.১০ নিচে বিবর্তন সম্পর্কিত কয়েকটি ধারণা উল্লেখ করা হলো –
• ব্যবহার ও অব্যবহারের সূত্র
• যোগ্যতমের উদবর্তন
• অর্জিত গুণাবলির বংশানুসরণ
• প্রাকৃতিক নির্বাচন
• অস্তিত্বের জন্য সংগ্রাম
• অতিরিক্ত হারে বংশবৃদ্ধি
— এদের মধ্যে ডারউইন তত্ত্বের প্রতিপাদ্য বিষয় কয়টি ?
সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা: ডারউইন তত্ত্বে প্রাকৃতিক নির্বাচন, অস্তিত্বের জন্য সংগ্রাম, অতিরিক্ত হারে বংশবৃদ্ধি এবং যোগ্যতমের উদবর্তন অন্তর্ভুক্ত। ব্যবহার ও অব্যবহারের সূত্র ও অর্জিত গুণের বংশানুসরণ ল্যামার্কের মতবাদ।
১.১১ মিলার ও উরের পরীক্ষায় জীবদের কোন মূল উপাদানটি তৈরি হয়েছিল ?
সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা: মিলার ও উরের পরীক্ষায় আদিম পৃথিবীর পরিবেশ অনুকরণ করে বৈদ্যুতিক স্ফুলিঙ্গের মাধ্যমে অ্যামাইনো অ্যাসিড তৈরি হয়েছিল, যা জীবের প্রোটিনের মূল উপাদান।
১.১২ ঘোড়ার বিবর্তনের ধারায় আধুনিক ঘোড়ার সামনের আর পিছনের পায়ে কোন কোন পরিবর্তন লক্ষ করা যায় ?
সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা: বিবর্তনের ধারায় আধুনিক ঘোড়ার পায়ে একটি করে আঙুল অবশিষ্ট থাকে এবং সেটি খুরে পরিণত হয়েছে। পূর্বপুরুষদের একাধিক আঙুল ছিল।
১.১৩ পশ্চিমবঙ্গের জলদাপাড়া, বেহারুড়ি ও সুন্দরবনের সংরক্ষিত বনাঞ্চলের প্রকৃতি হল যথাক্রমে –
সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা: জলদাপাড়া একটি জাতীয় উদ্যান, বেহারুড়ি অভয়ারণ্য এবং সুন্দরবন বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ হিসেবে স্বীকৃত।
১.১৪ হিমালয়ের কস্তুরী মৃগ আর সর্পগন্ধা উদ্ভিদ বিলুপ্ত হওয়ার কারণ হলো যথাক্রমে –
সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা: কস্তুরী মৃগ চোরাশিকারের কারণে বিলুপ্তির পথে এবং সর্পগন্ধা উদ্ভিদ অতিরিক্ত ঔষধি ব্যবহারের ফলে হ্রাস পেয়েছে।
১.১৫ মাটি দূষণের একটি ফল হলো –
সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা: মাটি দূষণের ফলে বিষাক্ত পদার্থ খাদ্যশৃঙ্খলে প্রবেশ করে এবং ধাপে ধাপে ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়, যাকে জীব-বিবর্ধন (Biomagnification) বলা হয়।
২. নিচের ২৬টি প্রশ্ন থেকেনির্দেশ অনুসারে ২১টি প্রশ্নের উত্তর লেখো। নিচের বাক্যগুলির শূন্যস্থানে উপযুক্ত শব্দ বসাও। (যে কোনো পাঁচটি)
২.১ প্রতিবর্ত চাপে __________ হলো কারক অঙ্গ।
২.২ ক্রোমাটিন জালিকা ও ক্রোমোজোম হলো ________ অণুর কুণ্ডলীকরণের পৃথক পৃথক অবস্থা।
২.৩ মুক্ত ও যুক্ত দুই প্রকার কানের লতির মধ্যে প্রকট বৈশিষ্টটি হলো ________ কানের লতি।
২.৪ বিজ্ঞানী ওপারিনের মতে, প্রাণ সৃষ্টির আগে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল জারণ বা বিজারণ ক্ষমতার বিচারে ________ প্রকৃতির ছিল।
২.৫ বিশ্ব-উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বিপন্ন হওয়া দক্ষিণমেরু অঞ্চলের একটি পক্ষীজাতীয় প্রজাতি হলো ________।
২.৬ নাইট্রোসোমোনাস ও নাইট্রোব্যাকটর নাইট্রোজেন চক্রের ________ ধাপে অংশগ্রহণ করে।
নিচের বাক্যগুলি সত্য অথবা মিথ্যা লেখ। (যে কোনো পাঁচটি)
২.৭ কোরয়েড আলোর প্রতিফলন হ্রাস করে রেটিনায় স্পষ্ট প্রতিবিম্ব গঠনে সাহায্য করে।
২.৮ অযৌন জননে একটিমাত্র জনিতৃ জীব থেকেই অপত্য জীব সৃষ্টি হতে পারে।
২.৯ একটি সঙ্কর দীর্ঘ মটরগাছের সঙ্গে একটি খর্বকায় মটরগাছের সঙ্করায়নের ফলে উৎপন্ন অপত্যগুলির মধ্যে খর্বকায় মটরগাছের শতকরা পরিমাণ 100।
২.১০ সমসংস্থ অঙ্গ অভিসারী বিবর্তনকে নির্দেশ করে।
২.১১ তুষারচিতা সুন্দাল্যান্ড হটস্পটের একটি বিপন্ন প্রাণী।
২.১২ জিব্বারেলিন মুকুল ও বীজের সুপ্তাবস্থা ভঙ্গ করে।
A -স্তম্ভের শব্দের সঙ্গে B- স্তম্ভের উপযুক্ত শব্দগুলির সমতা বিধান করে উভয় স্তম্ভের ক্রমিকনং উল্লেখসহ জোড়টি পুনরায় লেখো। (যে কোনো পাঁচটি)
A – স্তম্ভ
B – স্তম্ভ
২.১৩ অ্যাডাক্টর পেশি
(ক) বংশগত রোগ প্রতিরোধ
২.১৪ মিয়োসিস
(খ) গ্রিনহাউস গ্যাস
২.১৫ জেনেটিক কাউন্সেলিং
(গ) ক্রোমোজোম সংখ্যা হ্রাস রাখা
২.১৬ লাল গ্রন্থি
(ঘ) মাছের পটকার গ্যাস মুক্ত করা
২.১৭ নাইট্রাস অক্সাইড
(ঙ) ল্যাক্টিয়াস ডক্ট
২.১৮ বৃদ্ধির কোষীয় বিভাজন দশা
(চ) কলা ও অঙ্গ গঠন
(ছ) পাইরিফেরিকা
| A – স্তম্ভ | B – স্তম্ভ |
|---|---|
| ২.১৩ অ্যাডাক্টর পেশি | (ক) বংশগত রোগ প্রতিরোধ |
| ২.১৪ মিয়োসিস | (খ) গ্রিনহাউস গ্যাস |
| ২.১৫ জেনেটিক কাউন্সেলিং | (গ) ক্রোমোজোম সংখ্যা হ্রাস রাখা |
| ২.১৬ লাল গ্রন্থি | (ঘ) মাছের পটকার গ্যাস মুক্ত করা |
| ২.১৭ নাইট্রাস অক্সাইড | (ঙ) ল্যাক্টিয়াস ডক্ট |
| ২.১৮ বৃদ্ধির কোষীয় বিভাজন দশা | (চ) কলা ও অঙ্গ গঠন |
| (ছ) পাইরিফেরিকা |
২.১৪ মিয়োসিস — (গ) ক্রোমোজোম সংখ্যা ধ্রুবক রাখা
২.১৫ জেনেটিক কাউন্সেলিং — (ক) বংশগত রোগ প্রতিরোধ
২.১৬ লাল গ্রন্থি — (ঘ) মাছের পটকায় গ্যাস মুক্ত করা
২.১৭ নাইট্রাস অক্সাইড — (খ) গ্রিনহাউস গ্যাস
২.১৮ বৃদ্ধির কোশীয় বিভেদন দশা — (চ) কলা ও অঙ্গ গঠন
একটিশব্দে বা একটি সম্পূর্ণ বাক্যে উত্তর দাও। (যে কোনো ছয়টি)
২.১৯ বিসদৃশ শব্দটি বেছে লেখো —
প্রোল্যাকটিন, ভ্যাসোপ্রেসিন, অ্যাসিটাইলকোলিন, ইনসুলিন
২.২০ নিউরোগ্লিয়া কোষের একটি কাজ লেখো।
২.২১ নিচের প্রথম শব্দজোড়টির সম্পর্ক বুঝে দ্বিতীয় শব্দজোড়টির শূন্যস্থানে উপযুক্ত শব্দ বসাও :
পিটুইটারি : অ্যাড্রেনালিন :: প্যারাথাইরয়েড : __________ ।
২.২২ BBRR ও bbrr জেনোটাইপসম্পন্ন দুটি জীবের সংকর জননের ক্ষেত্রে F₂ জনুতে সৃষ্ট অপত্যদের মধ্যে BBRR ও BbRr-এর জেনোটাইপ দুটির অনুপাত 1 : 4 হলে, ওই জনুতে BBRr ও BbRR জেনোটাইপ দুটির অনুপাত কত ?
২.২৩ মটরফুলের কোন বৈশিষ্ট্যের জন্য মটরগাছে স্বপরাগযোগ ও ইতর পরাগযোগ উভয়ই ঘটতে পারে ?
২.২৪ একই খাদ্যের জন্য দুটি ভিন্ন প্রজাতির প্রাণীর মধ্যে জীবন সংগ্রামের একটি উদাহরণ দাও।
২.২৫ নিচের চারটি বিষয়ের মধ্যে তিনটি অপর বিবর্তনের অন্তর্ভুক্ত। সেই বিষয়টি বেছে নিয়ে লেখো —
কৃষিক্ষেত্রের বর্জ্য, জীবাশ্ম, জলাভূমি, ইউট্রিফিকেশন।
২.২৬ কীটনাশক ও আগাছানাশক পদার্থ ছাড়া পরিবেশের অপর একটি পদার্থের নাম করো যেটি ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে।
৩. নিচের ১৭টি প্রশ্ন থেকে যে কোনো ১২টি প্রশ্নের প্রতিটির উত্তর দুই-তিনটি বাক্যে লেখো।
৩.১ মস্তিষ্ক-মজ্জারস (CSF)-এর একটি অবস্থান ও একটি কাজ লেখো।
৩.২ অগ্ন্যাশয়ের নিম্নলিখিত দুটি অংশের একটি করে কাজ লেখো —
• কোরিয়ন
• আইলেটস
আইলেটস (ল্যাঙ্গারহ্যান্সের দ্বীপিকা) থেকে ইনসুলিন ও গ্লুকাগন হরমোন নিঃসৃত হয়। ইনসুলিন রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
৩.৩ গর্ভাবস্থা ঘটিত হলে প্রোজেস্টেরন হরমোন কী কী ভূমিকা পালন করে ?
৩.৪ মানুষের প্রাত্যহিক জীবনে হাঁচি ও কাশি ঘটার উদ্দেশ্য যথাক্রমে কী কী ?
কাশিও একটি প্রতিবর্ত ক্রিয়া, যা গলায় বা শ্বাসনালিতে জমে থাকা কফ, ধুলো বা জীবাণুকে বাইরে বের করতে সাহায্য করে। এর মাধ্যমে শ্বাসযন্ত্র সুরক্ষিত থাকে।
৩.৫ ফার্ণের জনুঃক্রমে রেণুধর ও লিঙ্গধর জনুর ধারাবাহিক দশাগুলোর নাম সারণির সাহায্যে লেখো।
রেণুধর উদ্ভিদ → স্পোরাঞ্জিয়াম → রেণু (স্পোর)
লিঙ্গধর জনু (Gametophyte) :
রেণু → প্রোথ্যালাস → অ্যান্থেরিডিয়াম ও আর্কিগোনিয়াম → গ্যামেট → নিষেক → জাইগোট → নবীন রেণুধর উদ্ভিদ
৩.৬ শব্দচিত্রের মাধ্যমে সপুষ্পক উদ্ভিদের যৌন জনন পদ্ধতিটি উপস্থাপন করো।
ডিম্বকের সঙ্গে মিলন (নিষেক) → জাইগোট গঠন → ভ্রূণ সৃষ্টি → বীজ ও ফল গঠন
৩.৭ ক্রোমোজোমের রাসায়নিক উপাদানগুলি একটি ছকের সাহায্যে দেখাও।
| ক্রোমোজোমের উপাদান | অন্তর্গত পদার্থ |
|---|---|
| নিউক্লিক অ্যাসিড | DNA |
| প্রোটিন | হিস্টোন প্রোটিন |
| প্রোটিন | নন-হিস্টোন প্রোটিন |
| অল্প পরিমাণে | RNA |
ক্রোমোজোম মূলত DNA ও প্রোটিন দ্বারা গঠিত, যা একত্রে নিউক্লিওপ্রোটিন তৈরি করে।
৩.৮ বংশগতি সম্পর্কিত নীচের শব্দ দুটি ব্যাখ্যা করো —
লোকাস
অ্যালিল
অ্যালিল: একই বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী একটি জিনের ভিন্ন ভিন্ন রূপকে অ্যালিল বলা হয়। যেমন, লম্বা ও খর্ব গাছের বৈশিষ্ট্যের জন্য ভিন্ন অ্যালিল থাকে।
৩.৯ মানুষের ক্ষেত্রে সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণে পিতার ভূমিকা একটি ক্রসের মাধ্যমে মূল্যায়ন করো।
মানুষের ক্ষেত্রে মাতার জিনোটাইপ XX এবং পিতার জিনোটাইপ XY।
মাতা সর্বদা X গ্যামেট উৎপন্ন করে, কিন্তু পিতা দুই ধরনের গ্যামেট উৎপন্ন করে — X ও Y।
ক্রস:
| মাতা | পিতা | |
| X | Y | |
| X | XX | XY |
| X | XX | XY |
ফলাফল:
XX → কন্যা সন্তান
XY → পুত্র সন্তান
অতএব, সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণ পিতার গ্যামেটের উপর নির্ভর করে, কারণ পিতা X অথবা Y যেকোনোটি প্রদান করতে পারে।
৩.১০ যদি একজন বর্ণান্ধতার বাহক মহিলা কোনো স্বাভাবিক বর্ণদৃষ্টি সম্পন্ন পুরুষকে বিবাহ করেন এবং তাদের একটি পুত্র ও একটি কন্যা সন্তান হয়, তাহলে ওই পুত্র ও কন্যার প্রত্যেকের মধ্যে বর্ণান্ধতা প্রকাশিত হবার সম্ভাবনা কত, একটি ক্রসের মাধ্যমে দেখাও।
বর্ণান্ধতা একটি X-সংযুক্ত প্রচ্ছন্ন বৈশিষ্ট্য।
বাহক মহিলার জিনোটাইপ = XcX
স্বাভাবিক পুরুষের জিনোটাইপ = XY
ক্রস:
| মাতা | পিতা | |
| X | Y | |
| Xc | XcX | XcY |
| X | XX | XY |
ফলাফল:
XcX → বাহক কন্যা
XX → স্বাভাবিক কন্যা
XcY → বর্ণান্ধ পুত্র
XY → স্বাভাবিক পুত্র
অতএব,
পুত্র সন্তানের বর্ণান্ধ হওয়ার সম্ভাবনা = ৫০%
কন্যা সন্তানের বর্ণান্ধ হওয়ার সম্ভাবনা = ০% (তবে ৫০% কন্যা বাহক হতে পারে)।
৩.১১ লবণ সহনে সুন্দরী গাছের লবণগ্রন্থির ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।
৩.১২ ডারউইনের অভিব্যক্তি সংক্রান্ত তত্ত্বের নিম্নলিখিত দুটি প্রতিপাদ্য বিষয় ব্যাখ্যা করো —
অত্যধিক হারে বংশবৃদ্ধি
প্রাকৃতিক নির্বাচন
প্রাকৃতিক নির্বাচন: প্রকৃতিতে যারা পরিবেশের সাথে বেশি মানিয়ে নিতে সক্ষম, তারা বেঁচে থাকে এবং বংশবৃদ্ধি করে। অনুপযুক্ত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জীব ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়। এই প্রক্রিয়াকেই প্রাকৃতিক নির্বাচন বলা হয়।
৩.১৩ মৌমাছি তার ওয়াগ্ল নৃত্যের মাধ্যমে কীভাবে মৌচাক ও সূর্যের অবস্থানের সাপেক্ষে খাদ্যের উৎসের অবস্থান প্রকাশ করে?
৩.১৪ মানব স্বাস্থ্য ও জীবজগতের ওপর শব্দদূষণের একটি করে প্রভাব লেখো।
জীবজগতের ওপরও শব্দদূষণের ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। অতিরিক্ত শব্দের কারণে প্রাণীদের স্বাভাবিক যোগাযোগ ব্যাহত হয়। অনেক পাখি ও প্রাণী তাদের প্রজনন ও বাসস্থান পরিবর্তনে বাধ্য হয়, ফলে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হয়।
৩.১৫ “সুন্দরবনের একটি পরিবেশগত সমস্যা হলো দূষণ” — সুন্দরবন অঞ্চলে দূষণের চারটি উৎস চিহ্নিত করো।
৩.১৬ নাইট্রোজেন চক্র ব্যাহত হলে যে যে সমস্যা সৃষ্টি হয় তার দুটি উল্লেখ করো।
এছাড়া অতিরিক্ত নাইট্রোজেন জলাশয়ে প্রবেশ করলে ইউট্রিফিকেশন ঘটে। এর ফলে শৈবাল দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং জলে অক্সিজেনের ঘাটতি তৈরি হয়। এতে মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণীর মৃত্যু ঘটতে পারে।
৩.১৭ কুমির ও রেড পাণ্ডা প্রতিটির সংরক্ষণের পদ্ধতিগুলি যথাক্রমে ব্যাখ্যা করো।
রেড পাণ্ডা সংরক্ষণের জন্য তার প্রাকৃতিক আবাসস্থল হিমালয়ের বনাঞ্চল সংরক্ষণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বননিধন ও শিকার রোধে কঠোর আইন প্রয়োগ করা হয়। এছাড়া জাতীয় উদ্যান ও অভয়ারণ্যে তাদের সুরক্ষিত রাখা হয় এবং সচেতনতা কর্মসূচির মাধ্যমে স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করা হয়।
নীচের ছয়টি বা তার বিকল্প প্রশ্নের উত্তর লেখো। দৃষ্টি প্রতিবন্ধকতা সম্পন্ন পরীক্ষার্থীদের ৪.১ নং প্রশ্নের পরিবর্তে ৪.১ (A) নং প্রশ্নের উত্তর করতে হবে। প্রতিটি প্রশ্নের মান ৫ (প্রশ্নের মান বিভাজন ৩+২, ২+৩ বা ৫ হতে পারে)।
৪.১ মানুষের স্নায়ুকোষের একটি বিশদ চিত্র অঙ্কন করে এবং নিম্নলিখিত অংশগুলি চিহ্নিত করো —
(ক) সোমা কোষ
(খ) ডেনড্রাইট
(গ) মাইলিন শীথ
(ঘ) র্যানভিয়ারের পর্ব
অথবা. একটিইউক্যারিওটিক ক্রোমোজোমের বিজ্ঞানসম্মত চিত্র অঙ্কন করো এবং নিম্নলিখিত অংশগুলো চিহ্নিত করো —
(ক) ক্রোমাটিড
(খ) সেন্ট্রোমিয়ার
(গ) নিউক্লিওলাস অর্গানাইজার
(ঘ) টেলোমিয়ার
৪.১ (A) (কেবলমাত্র দৃষ্টি প্রতিবন্ধকতা সম্পন্ন পরীক্ষার্থীদের জন্য)
৪.১(A) নিউরনের নিম্নলিখিত পাঁচটি অংশের প্রত্যেকটির একটি করে কাজ লেখো —
(ক) ডেনড্রন
(খ) অ্যাক্সন
(গ) মাইলিন শীথ
(ঘ) র্যানভিয়ারের পর্ব
(ঙ) সোয়ান কোষ
(খ) অ্যাক্সন: কোষদেহ থেকে স্নায়ু উদ্দীপনাকে পরবর্তী নিউরন বা কার্যকর অঙ্গে প্রেরণ করে।
(গ) মাইলিন শীথ: অ্যাক্সনকে আবৃত করে সুরক্ষা দেয় এবং স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন গতি বৃদ্ধি করে।
(ঘ) র্যানভিয়ারের পর্ব: উদ্দীপনার লাফিয়ে লাফিয়ে (saltatory conduction) পরিবহনে সাহায্য করে।
(ঙ) সোয়ান কোষ: মাইলিন শীথ গঠন করে এবং স্নায়ুতন্তুর পুষ্টি ও সুরক্ষা প্রদান করে।
অথবা. ইউক্যারিয়োটিক ক্রোমোজোমের নিম্নলিখিত গঠনগত অংশগুলির একটি করে বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করো —
(ক) ক্রোমাটিড
(খ) মুখ্য খাঁজ (সেন্ট্রোমিয়ার)
(গ) নিউক্লিওলার অর্গানাইজার
(ঘ) স্যাটেলাইট
(ঙ) টেলোমিয়ার
(খ) মুখ্য খাঁজ (সেন্ট্রোমিয়ার): এটি ক্রোমোজোমের সংকুচিত অংশ যেখানে স্পিন্ডল তন্তু সংযুক্ত হয়।
(গ) নিউক্লিওলার অর্গানাইজার: এটি rRNA জিন বহন করে এবং নিউক্লিওলাস গঠনে ভূমিকা পালন করে।
(ঘ) স্যাটেলাইট: সেকেন্ডারি খাঁজের পরে অবস্থিত ক্ষুদ্র গোলাকার অংশকে স্যাটেলাইট বলা হয়।
(ঙ) টেলোমিয়ার: এটি ক্রোমোজোমের প্রান্তীয় অংশ যা ক্রোমোজোমকে ভাঙন ও একত্রিত হওয়া থেকে রক্ষা করে।
৪.২ জীবজগতের পাঁচটি অযৌন জনন পদ্ধতি উপযুক্ত উদাহরণসহ বর্ণনা করো।
১. বিভাজন (Fission): এই পদ্ধতিতে জনিতৃ কোষটি দুই বা ততোধিক অপত্য কোষে বিভক্ত হয়।
দ্বিখণ্ডন: একটি কোষ বিভাজিত হয়ে দুটি সমান অপত্য কোষ সৃষ্টি করে। উদাহরণ: অ্যামিবা।
বহুখণ্ডন: প্রতিকূল পরিবেশে একটি কোষ থেকে অসংখ্য অপত্য কোষ সৃষ্টি হয়। উদাহরণ: প্লাজমোডিয়াম।
২. কোরকোদ্গম বা বাডিং (Budding): জনিতৃ দেহের বাইরে বা ভেতরে এক বা একাধিক উপবৃদ্ধি বা ‘কোরক’ (Bud) সৃষ্টি হয়, যা পরে বিচ্ছিন্ন হয়ে নতুন জীব গঠন করে।
উদাহরণ: ইস্ট (এককোষী ছত্রাক) এবং হাইড্রা।
৩. খণ্ডীভবন (Fragmentation): কোনো কারণে জনিতৃ দেহটি দুই বা ততোধিক খণ্ডে ভেঙে গেলে প্রতিটি খণ্ড অপত্য জীব হিসেবে বৃদ্ধি পায়।
উদাহরণ: স্পাইরোগাইরা (শৈবাল) এবং চ্যাপ্টা কৃমি।
৪. রেণু উৎপাদন (Sporulation): এটি ছত্রাক ও নিম্নবর্গের উদ্ভিদের প্রধান জনন পদ্ধতি। বিশেষ প্রকার জনন একক বা ‘রেণু’ (Spore) তৈরির মাধ্যমে এরা বংশবৃদ্ধি করে।
উদাহরণ: মিউকর, রাইজোপাস এবং মস।
৫. অঙ্গজ জনন (Vegetative Propagation): যখন উদ্ভিদের কোনো অঙ্গ (যেমন: মূল, কাণ্ড বা পাতা) জনিতৃ দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে সরাসরি নতুন উদ্ভিদ সৃষ্টি করে।
উদাহরণ: মিষ্টি আলু (মূল), আলু (স্ফীতকন্দ), পাথরকুচি (পত্রজ মুকুল)।
অথবা. মাইটোসিস ও মিয়োসিসের মধ্যে নিম্নলিখিত তিনটি বিষয়ে পার্থক্য নির্ণয় করো —
• সংঘটনের স্থান
• ক্রোমোজোম বিভাজনের প্রকৃতি
• উৎপন্ন কোষের সংখ্যা
পাথরকুচির অঙ্গজ বংশবিস্তার কীভাবে সম্পন্ন হয় তা বর্ণনা করো।
| পার্থক্যের বিষয় | মাইটোসিস (Mitosis) | মিয়োসিস (Meiosis) |
|---|---|---|
| ১. সংঘটনের স্থান | প্রধানত জীবের দেহকোষে (Somatic cell) ঘটে। | জনন মাতৃকোষে বা জনন কোষে (Germ cell) ঘটে। |
| ২. ক্রোমোজোম বিভাজনের প্রকৃতি | ক্রোমোজোম একবার বিভাজিত হয় এবং অপত্য কোষে সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকে (সদৃশ বিভাজন)। | নিউক্লিয়াস দুবার বিভাজিত হয়, ফলে ক্রোমোজোম সংখ্যা অর্ধেক হয়ে যায় (হ্রাস বিভাজন)। |
| ৩. উৎপন্ন কোষের সংখ্যা | একটি জনিতৃ কোষ থেকে ২টি অপত্য কোষ সৃষ্টি হয়। | একটি জনিতৃ কোষ থেকে ৪টি অপত্য কোষ সৃষ্টি হয়। |
পাথরকুচির অঙ্গজ বংশবিস্তারপাথরকুচি উদ্ভিদের ক্ষেত্রে পত্রের মাধ্যমে প্রাকৃতিক অঙ্গজ বংশবিস্তার পরিলক্ষিত হয়। পদ্ধতিটি নিচে বর্ণনা করা হলো:
পত্রজ মুকুল গঠন: পাথরকুচি গাছের পাতার কিনারায় অসংখ্য খাঁজ থাকে। এই খাঁজগুলোতে বিশেষ ধরনের অস্থানিক মুকুল বা পত্রজ মুকুল জন্মায়।চারা গাছ সৃষ্টি: প্রতিটি মুকুল থেকে ছোট ছোট শিকড় এবং ক্ষুদ্র চারা গাছ (Plantlets) তৈরি হয়।বিচ্ছিন্নকরণ ও বৃদ্ধি: পূর্ণাঙ্গ পাতাটি যখন গাছ থেকে মাটিতে পড়ে বা পচে যায়, তখন এই চারা গাছগুলো মাটি থেকে পুষ্টি সংগ্রহ করে স্বতন্ত্র উদ্ভিদ হিসেবে বেড়ে ওঠে।এভাবেই পাথরকুচি উদ্ভিদ কোনো বীজের সাহায্য ছাড়াই তার পাতার মাধ্যমে দ্রুত বংশবিস্তার সম্পন্ন করে।
৪.৩ সন্ধ্যামালতী ফুলের পাপড়ির রঙের ক্ষেত্রে অসম্পূর্ণ প্রকটতার ঘটনাটি ব্যাখ্যা করো।
হিমোফিলিয়ায় আক্রান্ত একজন মহিলার সঙ্গে একজন স্বাভাবিক পুরুষের বিবাহ হলে এবং তাদের দুটি পুত্রসন্তান হলে ওই দুটি পুত্র সন্তানের হিমোফিলিয়ায় আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা কত শতাংশ?
যে প্রক্রিয়ায় বিপরীত বৈশিষ্ট্যযুক্ত দুটি বিশুদ্ধ জীবের মধ্যে সংকরায়ণ ঘটালে কোনোটিই সম্পূর্ণ প্রকট না হয়ে উভয়ের মধ্যবর্তী একটি নতুন বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়, তাকে অসম্পূর্ণ প্রকটতা বলে।
উদাহরণ:
সন্ধ্যামালতী (Mirabilis jalapa) ফুলের ক্ষেত্রে বিশুদ্ধ লাল (RR) ও বিশুদ্ধ সাদা (rr) ফুলের মধ্যে সংকরায়ণ ঘটালে প্রথম অপত্য জনু বা F₁ প্রজন্মে সমস্ত ফুল গোলাপি (Rr) হয়। এখানে লাল রং সাদার ওপর সম্পূর্ণ প্রকট হতে পারে না।
F₂ প্রজন্মে ফিনোটাইপ ও জিনোটাইপ অনুপাত উভয়ই সমান হয়, অর্থাৎ—
১ (লাল) : ২ (গোলাপি) : ১ (সাদা)।
হিমোফিলিয়া সংক্রান্ত গাণিতিক ব্যাখ্যা:
হিমোফিলিয়া একটি X-ক্রোমোজোম বাহিত প্রচ্ছন্ন রোগ।
ধরি, স্বাভাবিক জিন = Xᴴ এবং হিমোফিলিয়া জিন = Xʰ।
আক্রান্ত মহিলা: XʰXʰ
স্বাভাবিক পুরুষ: XᴴY
সংকরায়ণ (Cross):
| গ্যামেট | XH (পিতা) | Y (পিতা) |
|---|---|---|
| Xh (মাতা) | XHXh (বাহক কন্যা) | XhY (আক্রান্ত পুত্র) |
| Xh (মাতা) | XHXh (বাহক কন্যা) | XhY (আক্রান্ত পুত্র) |
ফলাফল:
পুত্রসন্তান মাতার থেকে Xʰ এবং পিতার থেকে Y পায়। যেহেতু Y ক্রোমোজোমে রোগ প্রতিরোধকারী অ্যালিল থাকে না, তাই প্রতিটি পুত্রসন্তানই হিমোফিলিয়ায় আক্রান্ত হবে।
উত্তর: দুটি পুত্রসন্তানই হিমোফিলিয়ায় আক্রান্ত হবে; অর্থাৎ তাদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ১০০%।
অথবা. মেন্ডেলের দ্বিসংকর জনন সংক্রান্ত ফলাফল থেকে প্রাপ্ত সূত্রটি বিবৃত করো। বিশুদ্ধ দীর্ঘ ও গোলাকার বীজযুক্ত মটরগাছের জিনোটাইপ TTRR এবং বিশুদ্ধ খর্ব ও কুঞ্চিত বীজযুক্ত মটরগাছের জিনোটাইপ ttrr হলে তাদের সংকরায়ণের ফলে F₂ জনুতে যে যে ফিনোটাইপ উৎপন্ন হয় সেগুলি উল্লেখ করো, এবং তাদের ফিনোটাইপিক অনুপাত ও প্রতিটি ফিনোটাইপের সংশ্লিষ্ট জিনোটাইপগুলি লেখো।
কোনো জীবের দুই বা ততোধিক জোড়া বিপরীতধর্মী বৈশিষ্ট্য গ্যামেট গঠনের সময় স্বাধীনভাবে পরস্পর থেকে পৃথক হয় এবং যেকোনো সম্ভাব্য সমন্বয়ে সঞ্চারিত হয়।
দ্বিসংকর জনন ও F₂ জনুর বিশ্লেষণ:
P জনু (জনিতৃ): TTRR (বিশুদ্ধ দীর্ঘ, গোলাকার) × ttrr (বিশুদ্ধ খর্ব, কুঞ্চিত)
গ্যামেট: TR × tr
F₁ জনু: সবগুলোই TtRr (দীর্ঘ, গোলাকার)
F₁ × F₁ (TtRr × TtRr)
F₁ থেকে চার প্রকার গ্যামেট উৎপন্ন হয়: TR, Tr, tR, tr
F₂ জনুর চেকারবোর্ড:
| TR | Tr | tR | tr | |
| TR | TTRR | TTRr | TtRR | TtRr |
| Tr | TTRr | TTrr | TtRr | Ttrr |
| tR | TtRR | TtRr | ttRR | ttRr |
| tr | TtRr | Ttrr | ttRr | ttrr |
F₂ জনুর ফিনোটাইপ ও সংশ্লিষ্ট জিনোটাইপ:
১. দীর্ঘ ও গোলাকার জিনোটাইপ: TTRR, TTRr, TtRR, TtRr সংখ্যা = ৯
২. দীর্ঘ ও কুঞ্চিত জিনোটাইপ: TTrr, Ttrr সংখ্যা = ৩
৩. খর্ব ও গোলাকার জিনোটাইপ: ttRR, ttRr সংখ্যা = ৩
৪. খর্ব ও কুঞ্চিত জিনোটাইপ: ttrr সংখ্যা = ১
ফিনোটাইপিক অনুপাত = দীর্ঘ গোলাকার : দীর্ঘ কুঞ্চিত : খর্ব গোলাকার : খর্ব কুঞ্চিত
= ৯ : ৩ : ৩ : ১
জিনোটাইপিক অনুপাত:
1 : 2 : 2 : 4 : 1 : 2 : 1 : 2 : 1
(TTRR : TTRr : TtRR : TtRr : TTrr : Ttrr : ttRR : ttRr : ttrr)
৪.৪ জীবনের জৈব-রাসায়নিক উৎপত্তি সংক্রান্ত মিলার ও উরের পরীক্ষাটি বর্ণনা করে এর তাৎপর্য উল্লেখ করো।
নিম্নলিখিত শব্দ দুটি ব্যাখ্যা করো —
গরম তরল স্যুপ
কোয়াসারভেট
বিজ্ঞানী স্ট্যানলি মিলার ও হ্যারল্ড উরে আদিম পৃথিবীর পরিবেশকে পরীক্ষাগারে কৃত্রিমভাবে সৃষ্টি করেন।
তারা একটি বন্ধ কাচের যন্ত্রে মিথেন (CH_4), অ্যামোনিয়া (NH_3), হাইড্রোজেন (H_2) এবং জলীয় বাষ্প (H_2O) ভর্তি করেন।
জলকে উত্তপ্ত করে বাষ্প সৃষ্টি করা হয় এবং বৈদ্যুতিক স্ফুলিঙ্গের মাধ্যমে বজ্রপাতের অনুকরণ করা হয়। কয়েকদিন পরে দেখা যায় যে দ্রবণে অ্যামিনো অ্যাসিডসহ বিভিন্ন জৈব যৌগ উৎপন্ন হয়েছে।
তাৎপর্য :
১. এই পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে আদিম পৃথিবীর পরিবেশে অজৈব পদার্থ থেকে জৈব পদার্থ সৃষ্টি সম্ভব।
২. এটি জীবনের জৈব-রাসায়নিক উৎপত্তি তত্ত্বকে (Chemical Evolution Theory) সমর্থন করে।
গরম তরল স্যুপ (Hot Dilute Soup) :
আদিম পৃথিবীর সমুদ্রের জলে অজৈব পদার্থ থেকে উৎপন্ন বিভিন্ন জৈব যৌগ জমে যে ঘন জৈব দ্রবণ তৈরি হয়েছিল, তাকে গরম তরল স্যুপ বলা হয়। এখান থেকেই প্রথম জীবনের উৎপত্তি হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।
কোয়াসারভেট (Coacervate) :
জৈব অণুগুলির পারস্পরিক আকর্ষণে গঠিত ক্ষুদ্র তরলবিন্দু সদৃশ গঠনকে কোয়াসারভেট বলে। এগুলি কোষসদৃশ আচরণ প্রদর্শন করে এবং প্রাথমিক জীবকোষের পূর্বসূরী বলে মনে করা হয়।
শিম্পাঞ্জির খাদ্যসংগ্রহ সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের দুটি কৌশল বর্ণনা করো।
জিরাফের গ্রীবা লম্বা হওয়ার ঘটনা ডারউইনের অভিব্যক্তি সংক্রান্ত তত্ত্বের সাহায্যে ব্যাখ্যা করো।
১. উঁইপোকা শিকার :
শিম্পাঞ্জিরা গাছের ডাল ভেঙে তার পাতা ছাড়িয়ে সরু কাঠি তৈরি করে।
এই কাঠিটি উঁইঢিবির গর্তে প্রবেশ করায়। উঁইপোকা কাঠিতে আটকে গেলে সেটি বের করে খেয়ে নেয়।
২. বাদাম ভাঙার কৌশল :
শক্ত বাদাম ভাঙার জন্য তারা একটি চ্যাপ্টা পাথর বা গাছের গুঁড়িকে ‘নেহাই’ এবং আরেকটি শক্ত পাথরকে ‘হাতুড়ি’ হিসেবে ব্যবহার করে।
নেহাইয়ের ওপর বাদাম রেখে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে খোলা ভেঙে ভেতরের অংশ খায়।
ডারউইনের তত্ত্ব অনুযায়ী জিরাফের গ্রীবা লম্বা হওয়ার ব্যাখ্যা :
১. প্রকরণ (Variation) :
আদি জিরাফদের মধ্যে গ্রীবার দৈর্ঘ্যে পার্থক্য ছিল— কারও গলা ছোট, কারও কিছুটা লম্বা।
২. অস্তিত্বের জন্য সংগ্রাম ও প্রাকৃতিক নির্বাচন :
খাদ্যের অভাবে নিচু ডালের পাতা শেষ হয়ে গেলে অপেক্ষাকৃত লম্বা গ্রীবার জিরাফরা উঁচু ডালের পাতা খেয়ে বেঁচে থাকে।
ছোট গ্রীবার জিরাফরা খাদ্য না পেয়ে মারা যায়।
৩. বংশগতি :
লম্বা গ্রীবার বৈশিষ্ট্যটি উত্তরাধিকার সূত্রে পরবর্তী প্রজন্মে সঞ্চারিত হয়।
দীর্ঘকাল ধরে প্রাকৃতিক নির্বাচনের ফলে বর্তমান লম্বা গ্রীবার জিরাফের সৃষ্টি হয়েছে।
৪.৫ নাইট্রোজেন চক্রটি একটি শব্দচিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করো।
বায়ুদূষণকারী ভাসমান কণা ও গ্রিনহাউস গ্যাসের প্রতিটির দুটি করে উৎস একটি সারণির সাহায্যে লেখো।
\text{বায়ুমণ্ডলের } N_2
↓ (নাইট্রোজেন সংবন্ধন : বজ্রপাত / Rhizobium ব্যাকটেরিয়া)
\text{অ্যামোনিয়া } (NH_3)
↓ (নাইট্রিফিকেশন)
NH_3 \rightarrow NO_2^- \rightarrow NO_3^-
↓
উদ্ভিদ দেহে প্রবেশ (প্রোটিন সংশ্লেষ)
↓
প্রাণী দেহে প্রবেশ
↓ (অ্যামোনিফিকেশন : মৃতদেহ ও বর্জ্য পদার্থ পচন)
NH_3
↓ (ডিনাইট্রিফিকেশন)
NO_3^- \rightarrow N_2
↓
আবার বায়ুমণ্ডলে প্রত্যাবর্তন
বায়ুদূষণকারী কণা ও গ্রিনহাউস গ্যাসের উৎস :
| দূষকের ধরণ | উদাহরণ | দুটি উৎস |
|---|---|---|
| ভাসমান কণা (SPM) | ধূলিকণা, ফ্লাই অ্যাশ | ১. কলকারখানার চিমনি ২. নির্মাণ কাজ / পাথরের খাদান |
| গ্রিনহাউস গ্যাস | CO_2, CH_4 | ১. জীবাশ্ম জ্বালানি দহন ২. ধানক্ষেত / জলাভূমি |
অথবা. জনসংখ্যার ক্রমাগত বৃদ্ধির ফলে সৃষ্ট যে-কোনো পাঁচটি সমস্যা বর্ণনা করো।
১. প্রাকৃতিক সম্পদের হ্রাস :
ক্রমবর্ধমান মানুষের চাহিদা পূরণের জন্য বনভূমি ধ্বংস করা হচ্ছে। ফলে জ্বালানি, খনিজ সম্পদ, বিশুদ্ধ জল ও বন্যপ্রাণের আবাসস্থল দ্রুত কমে যাচ্ছে।
২. খাদ্য সংকট :
জনসংখ্যা বৃদ্ধির তুলনায় চাষযোগ্য জমির পরিমাণ সীমিত। এর ফলে খাদ্যাভাব, অপুষ্টি ও দারিদ্র্যের সমস্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
৩. বাসস্থানের অভাব :
জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে কৃষিজমি নষ্ট করে আবাসন গড়ে তোলা হচ্ছে এবং শহরে বস্তি এলাকার বিস্তার ঘটছে, যা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি করছে।
৪. বেকারত্ব বৃদ্ধি :
কর্মসংস্থানের সুযোগের তুলনায় কর্মপ্রার্থীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় বেকারত্ব একটি বড় সামাজিক সমস্যায় পরিণত হয়েছে।
৫. পরিবেশ দূষণ :
জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে বর্জ্য পদার্থের পরিমাণও বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা বায়ু, জল ও মাটির দূষণকে ত্বরান্বিত করছে।
৪.৬ জীববৈচিত্র্য হ্রাসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নিম্নলিখিত তিনটি কারণ ব্যাখ্যা করো :
• বাসস্থান ধ্বংস
• চোরাশিকার
• দূষণ
জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে জয়েন্ট ফরেস্ট ম্যানেজমেন্টের ভূমিকা লেখো।
১. বাসস্থান ধ্বংস :
জনসংখ্যা বৃদ্ধি, নগরায়ণ ও বনভূমি উজাড়ের ফলে বন্যপ্রাণীরা তাদের প্রাকৃতিক আবাসস্থল হারাচ্ছে।
খাদ্য ও আশ্রয়ের অভাবে অনেক প্রজাতি বিলুপ্তির পথে চলে যাচ্ছে।
২. চোরাশিকার :
চামড়া, দাঁত, শিং, হাড় ইত্যাদির লোভে অসাধু শিকারিরা বাঘ, গন্ডার, হাতির মতো প্রাণীদের হত্যা করে।
ফলে বহু মূল্যবান প্রজাতি বিপন্ন বা বিলুপ্ত হয়ে পড়ছে।
৩. দূষণ :
বায়ু, জল ও মাটি দূষণের ফলে বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য নষ্ট হয়।
যেমন— শিল্পবর্জ্য বা রাসায়নিক পদার্থ জলাশয়ে মিশে মাছ ও জলজ প্রাণীর মৃত্যু ঘটায়।
জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে জয়েন্ট ফরেস্ট ম্যানেজমেন্ট (JFM)-এর ভূমিকা :
১. বন সুরক্ষা :
স্থানীয় মানুষ বনদপ্তরের সঙ্গে যৌথভাবে বন রক্ষা করে এবং চোরাশিকার ও অবৈধ গাছকাটা প্রতিরোধ করে।
২. দাবানল প্রতিরোধ :
বনে আগুন লাগলে স্থানীয় জনগণ দ্রুত তা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
৩. বিকল্প জীবিকা :
স্থানীয়রা বনজ সম্পদ (পাতা, ফল, মধু ইত্যাদি) সংগ্রহের অধিকার পায়, ফলে তারা বন রক্ষায় আগ্রহী হয়।
৪. পুনঃবনায়ন :
ধ্বংসপ্রাপ্ত বনভূমিতে পুনরায় গাছ লাগানো ও নতুন বন সৃষ্টিতে স্থানীয়রা সক্রিয় অংশগ্রহণ করে।
“সুন্দরবনের পরিবেশগত সমস্যা হল খাদ্য ও খাদকের সংখ্যাগত ভারসাম্যের ব্যাঘাত” — তিনটি উদাহরণের সাহায্যে সমস্যাটি ব্যাখ্যা করো।
বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভের গঠনগত অংশগুলোর নাম লেখো এবং বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভের একটি উদাহরণ দাও।
সুন্দরবনের বাস্তুতন্ত্রে খাদ্যশৃঙ্খলের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার কয়েকটি উদাহরণ —
১. বাঘের সংখ্যা হ্রাস :
চোরাশিকার ও বাসস্থান ধ্বংসের ফলে বাঘের (খাদক) সংখ্যা কমে গেলে হরিণ ও বুনো শুয়োরের (খাদ্য) সংখ্যা বেড়ে যায়।
ফলে বনভূমির উদ্ভিদসম্পদ দ্রুত নষ্ট হয়।
২. হরিণের সংখ্যা হ্রাস :
নোনা জলের প্রবেশ ও খাদ্যের অভাবে হরিণ কমে গেলে বাঘ খাদ্যের সন্ধানে লোকালয়ে প্রবেশ করে।
এতে মানুষ ও বন্যপ্রাণীর সংঘাত বৃদ্ধি পায়।
৩. কুমিরের সংখ্যা হ্রাস :
অতিরিক্ত মাছ ধরা ও দূষণের ফলে কুমিরের সংখ্যা কমে গেলে জলজ খাদ্যশৃঙ্খল ব্যাহত হয়।
বড় মাছের আধিক্যে ছোট মাছ ও অন্যান্য প্রাণী বিপন্ন হয়।
বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ :
গঠনগত অংশসমূহ :
১. কোর অঞ্চল (Core Zone) :
সম্পূর্ণ সংরক্ষিত এলাকা; মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ।
২. বাফার অঞ্চল (Buffer Zone) :
নিয়ন্ত্রিত গবেষণা ও পর্যটনের অনুমতি থাকে।
৩. ট্রানজিশন অঞ্চল (Transition Zone) :
স্থানীয় মানুষের বসবাস ও সুস্থায়ী কার্যকলাপের অনুমতি দেওয়া হয়।
উদাহরণ :
সুন্দরবন বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ (পশ্চিমবঙ্গ) / নীলগিরি বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ।
আমাদের লক্ষ্য সবসময় শিক্ষার্থীদের জন্য সঠিক ও নির্ভুল তথ্য প্রদান করা। তবুও অনিচ্ছাকৃতভাবে কোনো ভুল হয়ে গেলে, আমরা চাই সেটি যেন দ্রুত সংশোধন করা হয়।
যদি উপরের পোস্টটিতে কোনো ভুল বা অসঙ্গতি খুঁজে পান, অনুগ্রহ করে মন্তব্যে জানাবেন। আপনার সহযোগিতা আমাদের জন্য অমূল্য — কারণ আমরা চাই না কোনো শিক্ষার্থী ভুল শিখুক।
মনে রাখবেন: আপনার দেওয়া ছোট্ট একটি মন্তব্য অনেকের শেখার পথ সঠিক রাখতে সাহায্য করবে।
